ফুটবল > ক্লাব ফুটবল

মেসির প্রত্যাবর্তনের রাতে বার্সেলোনার জয়

নিউজ ডেস্ক

২৮ জানুয়ারী ২০২১, সকাল ৫:৪০ সময়

[ 1611786512_383149_1611786736_noticia_normal_recorte1 ]
ছবিঃ ইন্টারনেট
এর আগে লিওনেল মেসিকে ছাড়া জয় পেতে বেগ পেতে হয়নি কাতালান ক্লাবটির। দলের সেরা তারকা ছাড়াই দুর্দান্ত প্রতাপে টানা দু ম্যাচ জিতেছে রোনাল্ড কোম্যানের শিষ্যরা। দু ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা শেষে কাল মাঠে ফিরেছেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টাইন জাদুকরের প্রত্যাবর্তনের রাতে স্প্যানিশ কোপা দেল রে রায়ো ভায়াকানোর বিপক্ষে ২-১ গোলের কষ্টার্জিত জয় নিয়ে শেষ আট নিশ্চিত করেছে প্রতিযোগিতার সফলতম দলটি। ম্যাচের ফলাফল দেখে ম্যাচ বার্সেলোনার পক্ষে বাজি ধরা যতটা সহজ বাস্তবে ততটাই উল্টা, রায়ো ভায়াকানোর ঘরের মাঠ থেকে জয় পেতে ঘাম ঝড়াতে হয়েছে মেসিদের। অনেক সুযোগ নষ্টের ভিড়ে বারবার পোস্ট ও ক্রসবারে বল লাগার হতাশায় পুড়তে হয়েছে বার্সেলোনাকে। নিষ্প্রাণ গোলশূন্য প্রথমার্ধ ড্রয়ের পর বিরতিতে থেকে ফিরে প্রথমে এগিয়ে যায় রায়ো ভায়াকানো। দুই গার্সিয়ার দারুণ বোঝাপড়ায় ম্যাচের ৬৩তম মিনিটে গোল করে স্বাগতিকরা। দারুণ গতি ও বুদ্ধিমত্তায় স্প্যানিশ ডিফেন্ডার ল্যাংলেটকে ফাঁকি দিয়ে ডান প্রান্ত দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে শট নেন আলভারো গার্সিয়া। গোলরক্ষক নেতো ঝাঁপিয়ে বলে হাত ছোঁয়ালেও বিপদমুক্ত করতে পারেননি। আলগা বল গোলমুখ থেকে জালে ঠেলে দেন ফ্রান গার্সিয়া। ১-০ গোলে এগিয়ে যায় রায়ো ভায়াকানো। পিছিয়ে পড়া বার্সেলোনাকে পথ দেখালেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের গোলে সমতায় ফেরে কাতালানরা। মাঝমাঠ থেকে সতীর্থের থ্রু পাস অফসাইডের ফাঁদ ভেঙে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন গ্রিজমান। তাকে বাধা দিতে এগিয়ে যান গোলরক্ষক, সুযোগ বুঝে ডানে বল বাড়ান ফরাসি ফরোয়ার্ড। অনায়াসে ফাঁকা জালে বল ঠেলে দেন মেসি। চলতি মৌসুমে এটি আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের ১৫তম গোল। [caption id="attachment_3576" align="aligncenter" width="720"] ছবিঃ ইন্টারনেট[/caption] ১০ মিনিট পর আবারও গোল করে বার্সেলোনা। ছন্দে থাকা ফ্রাংক ডি ইয়ংয়ের গোলে এবার এগিয়ে যায় কাতালান ক্লাবটি। ম্যাচের ৮০তম মিনিটে ডি বক্সে জর্দি আলবার বাড়ানো পাস থেকে ডান পায়ের টোকায় সফরকারীদের জয়সূচক গোলটি করেন ডাচ মিডফিল্ডার। ম্যাচের বাকিসময় আর কোন গোল না হলে প্রতিপক্ষের মাঠ থেকে ২-১ গোলের স্বস্তির জয় নিয়ে কোপা দেলরের শেষ আট নিশ্চিত করে প্রতিযোগিতার সর্বোচ্চ ৩০বারের চ্যাম্পিয়নরা।