ফুটবল > আন্তর্জাতিক ফুটবল

ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য !

নিউজ ডেস্ক

২ ফেব্রুয়ারি ২০২১, সকাল ৮:৪২ সময়

[ images-2021-02-02t141644-656 ]
কিংবদন্তী ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে আলোচনা যেন থামছেই না। মৃত্যুর আগে আর্জেন্টাইন ফুটবলার চিকিৎসক কর্তৃক অবহেলার শিকার হয়েছেন কিনা তা নিয়ে তদন্ত চলছে। ম্যারাডোনার দুই মেয়ে দালমা ও জিয়ান্নিনা বেশ কয়েকবার বাবার চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলেছিলেন। যদিও তার মৃত্যুর পর ময়নাতদন্ত রিপোর্টে বলা হয়, ঘুমের মাঝে হার্ট অ্যাটাকে মারা যান আর্জেন্টিনার '৮৬ এর বিশ্বকাপের মহানায়ক। দুমাস পর এবার কিংবদন্তি এই ফুটবলারের মৃত্যু নিয়ে বোমা ফাটাল আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম 'ইনফোবে'। তারা ম্যারাডোনার মৃত্যুর পূর্বমুহূর্ত তার দীর্ঘদিনের চিকিৎসক লিওপোলদো লুক এবং মনোবিদ অগাস্তিনো কোসাচভ মধ্যেকার কথা চালাচালির বেশকিছু স্কিনশট ফাঁস করেন। এসব স্কিনশটে বেরিয়ে এসেছে কিংবদন্তি এই ফুটবলারের মৃত্যু নিয়ে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ২৫শে নভেম্বর বুয়েন্স আয়ার্সে ম্যারাডোনার মৃত্যুর দিন দুজন এসব কথাবার্তা বলেন। সেদিন মিডিয়ায় ম্যারাডোনার স্বাস্থ্যের অবনতির খবর দেখে লুক তখন তার এক সহকর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। মেসেজে লুক লেখেন,
"আমি রাস্তায় আছি। মনে হচ্ছে (ম্যারাডোনা) মারা গেছে। না, আমি বাজি ধরতে পারি, মারাই গেছে। সান আন্দ্রেজ দিয়ে, যে পথ দিয়ে আমরা সাধারণত আসি, তোমাকে সে পথ দিয়েই আসতে হবে।"
তারপর লুককে তার পরিচিত একজন ম্যারাডোনার মৃত্যু সংবাদের স্ক্রিনশট পাঠায়। সেই স্ক্রিনশট দেখে লুক লেখেন,
"হ্যাঁ, মনে হচ্ছে তার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। মোটু বিছানা নোংরা করে মরবে। কী হয়েছে কে জানে! আমি সেখানে যাচ্ছি।"
জবাবে ম্যারাডোনার দীর্ঘদিনের চিকিৎসক মনোবিদ কোসাচভ তাকে লেখেন,
"জরুরি চিকিৎসক দল তাকে (ম্যারাডোনা) বাঁচানোর চেষ্টা করছে। আমরা এটা ১০-১৫ মিনিট ধরে করছি। অ্যাম্বুলেন্স এখনও আসেনি। এখানে এসেই দেখেছি তার শরীর ঠান্ডা। তার চেতনা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেছি। শরীরের তাপমাত্রা কিছুটা ফিরেছিল। এখন ওরা সঙ্গে আছে। তারা আমাকে কিছু জানাচ্ছে না। আমি বের হয়ে এসেছি।"
কোসাচভের মেসেজের জবাবে লুক লেখেন,
"ওরা আমার ওপর রেগে আছে কিনা জানাও। আর দুশ্চিন্তা করো না, শান্ত থাক। যেটা হওয়ার কথা, সেটা হবেই। তিনি খুবই জটিল রোগী ছিলেন। যা হওয়ার হবে। যখন যে পরিস্থিতি আসে, তখন সেটা সামাল দেব। অগাস্টিন, চিন্তা নেই, তার (ম্যারাডোনা) পরিবার তো সব জানে।"