ফুটবল > ক্লাব ফুটবল

ক্লাব বিশ্বকাপের মাধ্যমে হেক্সা জয় করলো বায়ার্ন মিউনিখ

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১, সকাল ৪:৩৫ সময়

[ img_20210212_103340 ]
ছবিঃ টুইটার
মেক্সিকান ক্লাব তাইগ্রেসকে হারিয়ে মৌসুমের ষষ্ঠ শিরোপা ঘরে তুলল বায়ার্ন মিউনিখ। কাতারের এডুকেশন সিটি স্টোডিয়ামে বেঞ্জামিন পাভার্ডের একমাত্র গোলে কনকাকাপ অঞ্চলের দলটিকে হারিয়ে শিরোপা জিতল হ্যান্সি ফ্লিকের দল। এটি বাভারিয়ানদের মৌসুমের ষষ্ঠ শিরোপা। ক্লাব ফুটবল ইতিহাসে বায়ার্ন মিউনিখ ব্যতীত কেবল বার্সেলোনাই মৌসুমে হেক্সা জয়ের স্বাদ পেয়েছে। ২০০৯ সালে পেপ গার্দিওয়ালার ইতিহাস বদলে দেওয়া ব্লাউগ্রানারা প্রথম ক্লাব হিসেবে এই রেকর্ড গড়েছিল। অথচ ফেভারিট হয়েও এই ম্যাচের ফেভারিটের তকমা ছিলো না বায়ার্নের গায়ে। ম্যাচের ঘণ্টা দুয়েক আগে মুলারের পজিটিভ কিংবা সাবেক বান্ধবীর মৃত্যুতে বোয়াটেংয়ের অনুপস্থিতি। সবকিছুই মানসিক ভাবে পিছিয়ে দিয়েছিলো গোটা দলকে। তবুও সানে-ন্যাব্রি-কোম্যান-লেওয়ানডস্কিদের পায়ে বায়ার্ন লিখলো অল অ্যাটাকিং ফুটবলের গল্প। ম্যাচের ১৮তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে বল জালে পাঠিয়ে উদযাপন শুরু করেছিলেন জশুয়া কিমিচ। কিন্তু ভিএআরের সাহায্যে অফসাইডের বাঁশি বাজান রেফারি। কিমিচের শটের সময় অফসাইড পজিশনে বলের লাইনে ছিলেন রবার্ট লেওয়ানডস্কি। যদিও তিনি বল স্পর্শ করেননি। প্রথমার্ধ গোলশূন্য শেষ হয়। বিরতির পর আক্রমণের ধার বাড়ায় ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নরা। প্রতি আক্রমণে তাইগ্রেসও বায়ার্নের ডিফেন্সে ভয় লাগায়। তবে প্রথমার্ধে যেই ভিএআর প্রযুক্তিতে কপাল পুড়েছিল বায়ার্নের, পাশার দান উল্টে যায় ৫৯ মিনিট সেই ভিএআরের কল্যাণ্যেই। স্কোরার ফ্রেঞ্চ রাইটব্যাক বেঞ্জামিন পাভার্ড। কিমিচের ক্রসে লেওয়ানডস্কির হেড পোস্ট ছেড়ে এগিয়ে এসে ঠেকানোর চেষ্টা করেন গোলরক্ষক। বল পেয়ে ফাঁকা জালে পাঠান পাভার্ড। লাইন্সম্যান শুরুতে অফসাইডের পতাকা তুললেও ভিএআরে পাল্টায় সিদ্ধান্ত। এগিয়ে যায় হ্যান্সি ফ্লিকের দল। [caption id="attachment_6203" align="aligncenter" width="1600"] ছবিঃ টুইটার[/caption] গোল পেয়ে ছন্দে ফিরে সদ্য ট্রেবলজয়ী ক্লাবটি। সেই সুযোগে আক্রমণের ধার আরও বাড়ায় বাভারিয়ায়ানরা। শেষ ২০ মিনিটে হালি দুয়েক গোলের সুযোগ নষ্ট করে তারা। শেষ পর্যন্ত ব্যবধান থাকে ওই ১-০ই। ফলে ২০১৩ সালের পর আবারও ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা জয় করে বাড়ি ফিরে জার্মান চ্যাম্পিয়নরা।