ফতুল্লার মাঠ পেতে হলে ‘যুদ্ধ’ করতে হবে – কাজী মোঃ সালাউদ্দিন

প্রকাশ: বুধবার, ১০ মার্চ, ২০২১ | ১৯:১০:২৩

ডেস্ক রিপোর্ট

ছবিঃ সংগৃহীত।

নারায়নগঞ্জের ফতুল্লার খান সাহেব স্টেডিয়ামে খেলা নেই গত চার বছর ধরে। এদিকে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামেই প্রায় চার-পাঁচ টা লীগ চালিয়ে যাচ্ছে। এ কারণেই বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ফতুল্লার ক্রিকেট স্টেডিয়াম ব্যবহার করার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নিকট আবেদন করেছিল। কিন্তু বাফুফের এই আবেদনে এখনও সাড়া না দিয়ে এক প্রকার তাল-বাহানা শুরু করেছে বলে মনে করেন বাফুফে সভাপতি কাজী মোঃ সালাউদ্দিন। তিনি আরও বলেন,

“যে মাঠে গত চার বছর কোন আন্তর্জাতিক ম্যাচ নেই সেই মাঠেই আন্তর্জাতিক ম্যাচের দোহায় দিয়ে মাঠ দিতে রাজি নয় বিসিবি। দেখেন আমরা কমলাপুর স্টেডিয়ামে এক সাথে চার পাঁচটা লীগের ম্যাচ চালাই, এ কারণেই পরিত্যক্ত থাকা ফতুল্লা মাঠটা আমি চেয়েছিলাম। এখন দেখছি এই মাঠের জন্য আমাকে যুদ্ধ করতে হবে। যুদ্ধ করা ছাড়া এখন আপনি কোন কিছুই পাবেন না।”

এর আগে ২০১১ ক্রিকেট বিশ্বকাপ যৌথ ভাবে আয়োজন করে বাংলাদেশ। কাজী মোঃ সালাউদ্দিনের দাবি, সে সময় ক্রিকেটের কাজে ব্যবহারের জন্য ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম এক প্রকার জোর করেই নিয়ে নিতে চেয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। কিন্তু “গালি খেয়ে, যুদ্ধ করে” এই স্টেডিয়াম ক্রিকেট বোর্ডকে নিতে দেননি বর্তমান সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন।

২৫ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন এই স্টেডিয়ামে শেষ ম্যাচ হয়েছে ২০১৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি। এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টির বাছাইপর্বের সংযুক্ত আরব আমিরাত ও হংকংয়ের মধ্যে।

এছাড়াও দুটি করে টেস্ট ও ওয়ানডে ম্যাচ হয়েছে। প্রথম টেস্ট হয়েছিল ২০০৬ সালে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে এবং শেষ টেস্ট হয়েছে ৬ বছর আগে ২০১৫ সালে। একই বছর জুনে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে টেস্ট ম্যাচ হয়েছিল ফতুল্লার এই স্টেডিয়ামে।