স্বাগতিক দর্শকদের চাপ সামলাতে পারবে তো বাংলাদেশ?

প্রকাশ: সোমবার, ২৯ মার্চ, ২০২১ | ০৬:১৮:১৩

ডেস্ক রিপোর্ট

যারা নিয়মিত ফুটবলের খোজ খবর রাখেন শুধু মাত্র তারাই জানেন যে, ফুটবলে ঘরের মাঠের সুবিধা কতটা দরকারি একটা জিনিস। নিজেদের মাঠে, নিজেদের দর্শকরা যখন নিজেদের ফুটবলারদের নাম নিয়ে গলা ফাটায় তখন আপনা আপনি মাঠের পার্ফরমেন্সেও তা প্রভাব ফেলায়।

ইউরোপ, আমেরিকা বা এশিয়ার অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশ ঘরের মাঠের সুবিধা গ্রহণ করলেও প্রতিপক্ষের মাঠে গ্যালারি ভর্তি দর্শকের চাপ সামলিয়ে খেলার সচারচর সুযোগ হয় না বাংলাদেশের। তবে এবার সেই সুযোগ এসেছে, সম্মুখীন হতে হচ্ছে ভিন্ন এক অভিজ্ঞতার। প্রায় ১২ হাজার প্রতিপক্ষ দর্শকদের বিপক্ষে লড়াই করেই ফাইনাল জয় করতে হবে জামাল-সাদ উদ্দিনদের।

স্বাগতিক নেপালের মানুষ ফুটবল প্রিয়। ২৭শে মার্চে নেপাল-বাংলাদেশের ম্যাচেও গ্যালারি ভর্তি দর্শক দেখা গিয়েছে। খেলা চলাকালীন মাঝে মধ্যেই দর্শকেরা ‘নেপাল- নেপাল’ বলে চ্যান্ট শুরু করে দিয়েছিল। আর আজ তো টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ। তাই ধারণা করা হচ্ছে স্টেডিয়ামের কোনও সিট ফাঁকা থাকবে না। ১২ হাজার দর্শকে মুখরিত থাকবে কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়াম। নেপাল-নেপালে উচ্চারিত হবে পুরা দশরথ স্টেডিয়াম।

নেপাল-বাংলাদেশ ম্যাচে গ্যালারি ভর্তি নেপালি দর্শক। ছবিঃ বাফুফে।

 

এদিকে দশরথে বাংলাদেশ খেলবে দর্শবিহীন। সাপোর্ট হিসেবে থাকছে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক ও বাফুফের কর্মকর্তারা। যার কারণেই বাতাসে ভাসছে প্রশ্ন, বাংলাদেশ কি পারবে স্বাগতিক দর্শকদের চাপ সামলিয়ে ট্রফি জয় করতে?

তবে এমন প্রশ্নের জবাবে নির্ভার ছিলেন কোচ জেমি ডে। ফুটবলারদের চাপ নিতে বারণ করেছেন এবং মাঠে উপভোগ করতে বলেছেন এই ইংলিশ কোচ। এদিকে স্বাগতিক নেপালের অধিনায়ক কিরণ লিম্বু গ্যালারি ভর্তি নিজেদের দর্শক উপস্থিতিকে নিজেদের বাড়তি শক্তি বলে মনে করছেন। তিনি আরও বলেন,

“অবশ্যই, এটা আমাদের জন্য বাড়তি অনুপ্রেরণা। আশা করি, আমারা সমর্থকদের প্রত্যাশা পূরণে সফল হবো।”

২০১৯ সালে কাতার বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব ম্যাচে ভারতের সল্ট লেক স্টেডিয়ামে স্বাগতিক ভারতের গ্যালারি ভর্তি দর্শকের চাপ সামলিয়েও লড়াই করে ড্র নিয়ে ফিরেছিল বাংলাদেশ। সেই অনুপ্রেরণা থেকেই ফুটবলাররা এবার নেপালের ১২ হাজার দর্শকের চাপ সামলিয়ে টুর্নামেন্ট জয় করে ফিরে আসারই কথা।