লংকানদের কভিড পজিটিভ-নেগেটিভ বিতর্ক নিয়ে খোলামেলা ব্যাখ্যা বিসিবি সভাপতির

প্রকাশ: রবিবার, ২৩ মে, ২০২১ | ১৮:৩৪:৫১

ওয়াহেদ মুরাদ

লংকানদের কভিড পজিটিভ-নেগেটিভ বিতর্ক নিয়ে খোলামেলা ব্যাখ্যা বিসিবি সভাপতির

বায়ো সিকিউর বাবল নিয়ে প্রশ্ন ওঠার খুব বেশি সুযোগ দেইনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। করোনা প্যানডেমিকের মধ্যেই বেশ কিছু টুর্নামেন্ট ও আন্তর্জাতিক সিরিজ আয়োজন করেছে বাংলাদেশ যেখানে তেমন কোন অঘটন ঘটেনি। করোনার দ্বিতীয় ফেইজে শ্রীলংকা সিরিজ নিয়ে শঙ্কা ছিল কমবেশি। ম্যাচের দিনে লংকান মিডিয়ায় টালমাটাল খবর- তিন শ্রীলংকান ভুগছেন কভিডে৷ যদিও পরবর্তীতে পুনরায় টেস্ট করিয়ে নেগেটিভ হন দুইজন।

ম্যাচ চলাকালীন সময় এই সমস্ত বিষয়ে কথা বলেছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। তিনি ব্যাখ্যা দিয়েছেন পুরো ব্যবস্থাপনা নিয়ে। দেখে নেওয়া যাক কি বলেছেন বিসিবি সভাপতি,

আইসিসি গাইডলাইন ও বায়োবাবলঃ

বেসিক্যালি যেটা হয়েছে, আমাদের আইসিসির একটা গাইডলাইন আছে। আর যে দলের সঙ্গে খেলা তাদের সঙ্গে একটা সমঝোতা হয় এবং কী হলে কী হবে সেটার সব কিছু সেখানে লেখা আছে। কেউ যদি পজেটিভ হয়, তখন কী হবে। ডাক্তার দেখাতে হলে কে দেখবে, টেস্ট করাতে হলে কোন জায়গায় গিয়ে করবে, সমস্ত কিছু প্রোটোকল করা আছে।

শ্রীলংকার তিনজনের পজিটিভ কেন?

আমাদের এখানে যেটা হয়েছে শ্রীলঙ্কার তিন জনের পজেটিভ এসেছে, আগের টেস্টগুলোতে নেগেটিভ ছিল। আমাদের জানামতে আমাদের বায়ো বাবলে নেগেটিভ কারও গিয়ে পজেটিভ হওয়াটা অস্বাভাবিক। মানে এটা আমরা মনে করি সামথিং যেটা হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

পজিটিভ হবার পরের প্রক্রিয়াঃ

তারপরও হতে তো পারেই। সে জায়গায় তিন জনের হয়েছে। তিন জনের হওয়ার পর ন্যাচারালি তাদের আইসোলেট করা হয়। তারপর যখন টেস্ট করতে দিলাম কারণ তাদের কোনো সিম্পটম নাই। সেকেন্ড যখন টেস্ট করল তখন নেগেটিভ। কিন্তু একজনের আসলো পজেটিভ। কেন পজেটিভ আসলো সেটি দেখতে গিয়ে আমাদের ধারণা, যেহেতু সে কিছু দিন আগেই কোভিড থেকে রিকভার করেছে, তার ডেড আরএনএ ডিটেক্ট করে পিসিআর।

খালেদ মাহমুদ সুজনের কভিডের ফলাফল বিতর্কঃ

এটা হতে পারে, অনেকের কিন্তু ২৮ দিন পর্যন্ত পাওয়া যায়। যেহেতু ওর ২৮ দিন হয়নি তাই পেতে পারে। এজন্য আমরা আবার তৃতীয় বার টেস্ট করতে পাঠিয়েছি। ইটস এ কন্টিনিউয়াস প্রসেস। সেইম জিনিস কিন্তু হয়েছে আমাদের খালেদ মাহমুদ সুজনকে নিয়ে।

সুজন বায়ো বাবলে ঢোকার আগে টেস্ট করেছে নেগেটিভ। তারপর লাস্ট টেস্ট করতে গিয়ে এসেছে পজেটিভ। কিন্তু ও বলে আমার তো কিছু হয় নাই। তারপর আমরা আবার টেস্ট করালাম, আসে নেগেটিভ। আজকে আবার করালাম নেগেটিভ।

বিশেষ প্রোটোকল মানছে বিসিবিঃ

মাঝেমধ্যে এরকম আসতে পারে, কিন্তু তার জন্য প্রোটোকল করা আছে, একবার পজেটিভ হলে কী করতে হবে, কতবার টেস্ট করে শিওর হতে হবে যে সে নেগেটিভ। আমরা ওটা ফলো করছি। কাজেই ওয়িটা নিয়ে এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি যেটা খুব চিন্তার বিষয়। তবে ডেফিনিটলি আমরা সতর্কতা আরও বাড়াবো।

কভিডের বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করে সর্ব্বোচ্চ ব্যবস্থা নেবার কথা জানান বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। তিনি এটিও জানিয়েছেন তুলনামুলক কঠিন বাংলাদেশের জন্য।