ফিচার

জন্মদিন বিশেষ | স্টিভেন জেরার্ডঃ দ্যা হার্ট অফ লিভারপুল

নিউজ ডেস্ক

৩০ মে ২০২১, সকাল ৭:২২ সময়

[ screenshot_20210530-130017_gallery ]
ছবিঃ ইন্টারনেট

পঁচিশে মে, দুই হাজার পাঁচ, তুরস্কের ইস্তাম্বুল।

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগের ৫০তম আসরের ফাইনালে মুখোমুখি এসি মিলান বনাম লিভারপুল। সেই সময়ের এসি মিলান ছিল ইউরোপের সব চাইতে ডমিনেট করা দলগুলোর মধ্যে একটি। পাওলো মালদিনি, আন্দ্রেস পিরলো,শেভেনস্কো, দিদা, ক্রেসপো, রিকার্দো কাকা- গোলকিপার থেকে ডিফেন্স হয়ে মিডফিল্ড ও স্ট্রাইকার পজিশন কি ছিল না ঐতিহ্যবাহী সেই এসি মিলানের একাদশে?  ম্যাচের প্রথমার্ধে তার প্রভাবও একেবারে স্পষ্ট বুঝা গেছে। চ্যাম্পিয়নস লীগ ইতিহাসে দ্রুততম গোল করে এসি মিলানকে এগিয়ে দেয় মালদিনি। তারপর আর্জেন্টাইন ক্রেসপোর জোড়া গোলে প্রথমার্ধ শেষেই এসি মিলান এগিয়ে যায় ৩-০ গোলে। স্টোডিয়ামভর্তি প্রায় ৬৯ হাজার দর্শক তখন ধরেই নিয়েছিল, ম্যাচটি কার্যত শেষ। পুরো দুনিয়া যখন মেনে নিয়েছিল, মাত্র ৪৫ মিনিটে এসি মিলানের এই রক্ষণভাগ চিড় ধরিয়ে ৩-৩ গোলে কামব্যাক করা লিভারপুলের জন্য অসম্ভব তখনই ঘটে যায় দ্যা মিরাকল অব ইস্তাম্বুল। [caption id="attachment_29428" align="aligncenter" width="1080"] ইস্তাম্বুল মিরাকালের শুরু যে গোল থেকে। ছবিঃ ইন্টারনেট[/caption] দ্বিতীয়ার্ধে শুরুতেই রিজের ক্রস থেকে এসি মিলানের ডি বক্সে বাস্কেটবল প্লেয়ারের মত লাফিয়ে উঠে হেড। দিদার বুঝে উঠার আগেই বল চলে গেল গোলবারের ভিতরে। এবং গোলললল! ধারাভাষ্যকাররের চিৎকার,
"Hello, hello here we go. Steven Gerrard puts a gain doubt in the back of Milan and gives hopes to...."
শুরু হয়ে গেল তান্ডব। ৫৪' থেকে ৬০' মাত্র ছয় মিনিটের তান্ডবে লন্ডবন্ড হয়ে যায় এসি মিলানের ইতিহাসের অন্যতম সেরা ডিফেন্সটি। কোচ কার্লো আনচেলত্তির ভাষায় এই ছয় মিনিট ছিল পাগল করা ছয় মিনিট বা 'সিক্স মিনিট মিরাকল'। মাত্র ৪ মিনিট ব্যবধানে পরপর স্মাইকার ও আলোন্সোর গোলে ৩-১ গোলস্কোর মুহুর্তেই হয়ে যায় ৩-৩। নির্ধারিত সময়ে খেলা শেষে খেলা গড়ায় পেনাল্টি শুট আউটে। লিভারপুল জয়ী! ইউরোপের প্রথম ইংলিশ ক্লাব হিসেবে ৫ম বারের মত চ্যাম্পিয়নস লীগ ট্রফিটা যায় এনফিল্ডে। দুই হাজার ছয়, এফ এ কাপের ফাইনাল, কার্ডিফ। নির্ধারিত সময়ের প্রায় শেষ মুহূর্তের খেলা চলছে। তারুণ্যে ঠাসা ওয়েস্ট হ্যাম তখন ৩-২ গোলে এগিয়ে, খেলা শেষ হওয়ার মাত্র দুই মিনিট আগে লিভারপুলের কার ক্রস ক্লিয়ার করল ওয়েস্ট হ্যাম ডিফেন্স, কিন্তু বল চলে যায় ৩৫ গজ দূরে দাঁড়িয়ে থাকা লিভারপুল অধিনায়কের দিকে, ফার্স্ট টাইমেই বলটি সজোরে মারলেন... ওয়েস্টহামের গোলকিপার শাকা হিসলোপকে ফাঁকি দিয়ে বল চলে গেল জালে গোলল! ৩-৩ আর তারপর টাইব্রেকারে প্রথমবারের মত এফএ কাপ জিতে নেয় লিভারপুলের। পরে গোলটা নিয়ে গার্ডিয়ানের এক সাংবাদিক বিশ্লেষণ করেন ঠিক এভাবে,
If that ball had fallen to any other Liverpool player on the field, West Ham win the FA cup. It falls to Gerrard, BOOOOOM, Liverpool win the cup."
[caption id="attachment_29429" align="aligncenter" width="2196"] ছবিঃ টুইটার[/caption] ফুটবল ইতিহাসে গোলটি 'জেরার্ড গোল 'নামেই অধিক  পরিচিত। অনেকে ২০০৬ এফ কাপের ফাইনালকে জেরার্ড ফাইনালও বলে থাকে। শুধু এই ইউসিএল বা এফএ কাপের ফাইনালই না; বারবার লিভারপুলের রক্ষাকর্তা হয়েছেন স্টিভেন জেরার্ড। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গোল করে বাড়তি সুনাম কামিয়েছেন। কতবার যে খেলার শেষ মুহুর্তে রোবটিকস পারফরম্যান্স করে বাঁচিয়ে দিয়েছেন লিভারপুলকে তার কোন ইয়াত্তা নাই! আসলে একজন স্ট্রাইকার না হয়েও ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গোল করা জেরার্ডের রক্তেই মিশে ছিল। তাই থিয়ের অঁরিও বলে ফেললেন,
"আমি বিশ্বের এমন একজন স্ট্রাইকারের কথা মনে করতে পারি না যে তার মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এত গোল করেছে। আমার কাছে সে-ই লিভারপুল।"
স্টিভেন জেরার্ড ছিলেন লিভারপুলের সবচেয়ে বড় প্রতীক। নানা ঘাত-প্রতিঘাতে বয়স বাড়ার সাথে সাথে অলরেডদের জন্য তার ভালোবাসাও বেড়েছে। যেদিন আট নাম্বর জার্সি আর লিভারপুলের ক্যাপ্টেন্সির আর্মব্যান্ড পড়েছেন ঠিক সেদিন থেকেই অলরেড আর জেরার্ড একে অপরের প্রতিশব্দ হয়ে উঠে। অনেক বড় সুযোগ সুবিধা, নাম-যশকে পেছনে ফেলে, অর্থকে দূরে ঠেলে দিয়ে ক্যারিয়ারের একেবারে গোধূলিলগ্নে ছিলেন লিভারপুলেই 'ঘরের ছেলে' হয়ে। শুধুমাত্র যে বা যারা জেরার্ডকে দেখেছিলেন কেবল তারাই জেরার্ড এবং লিভারপুলের সম্পর্ক ভালোভাবে বর্ণনা করতে পারবে। লয়্যালিটির কি সংগাটা  মার্সেসাইডে রেখে গিয়ে ছিলেন তা জেরার্ডের নিজের কথা শুনলেই বুঝা যাবে-
"When I die, don't take me to the hospital. Take me to the Anfield, I was born there and I will die there."
১৯৮০ সালে, ৩০শে মে ইংল্যান্ডের বিখ্যাত মার্সেসাইড অঞ্চলের উইস্টনে এক সমভ্রান্ত ফুটবলপ্রেমী পরিবারে জন্ম স্টিভেন জর্জ জেরার্ডের। মাত্র সাত বছর বয়সেই লিভারপুলের একাডেমিতে যোগদান করেন। সেই যে শুরু; একাডেমি থেকে সিনিয়র দল টানা সতেরটি বছর অলরেডদের জার্সি গায়ে অ্যানফিল্ডে মাতিয়েছেন। ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে হয়েছেন মার্সেসাইডবাসীর প্রিয় স্টিভি জি। [caption id="attachment_29430" align="aligncenter" width="640"] ছবিঃ ফেসবুক[/caption] ২৯ শে নভেম্বর ১৯৯৮ সালে মাত্র আঠারো বছর বয়সে লিভারপুলের হয়েই ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের ব্ল্যাকবার্ন রোভার্সের সাথে শেষ সময়ে ডেব্যু হয় স্টিভেন জেরার্ডের। মৌসুমে একেবারে মাঝামাঝি সময়ে অলরেড ক্যাপ্টেন জামি রেডনাফ ইঞ্জুরিতে পড়লে লিভারপুলের সেন্টার মিডফিল্ডের দায়িত্ব তার উপর এসে পড়ে। এই মৌসুমেই অলরেডদের জার্সির গায়ে জেরার্ড প্রায় ২৫টিরও বেশি ম্যাচ খেলেন। পরের মৌসুমের শুরুতেই রেডনাফ দলে ফিরলে দুজন মিলে লিভারপুলের মিডফিল্ডারের দায়িত্ব পালন করেন। তার কিছুদিন পরই শেফিল্ডের বিপক্ষে সিনিয়র ক্যারিয়ারের প্রথম গোল করেন। লিভারপুলও ম্যাচ ৪-১ গোলে জিতে নেয়। ম্যাচে পায়ের গোড়ালিতে সমস্যার কারণে কয়েক মাস মাঠ থেকে ছিটকে পড়েন জেরার্ড। ইঞ্জুরি রিকভার করে পরের সিজনেই লিভারপুলের হয়ে সেরা পারফরম্যান্স করেন। এই সিজনে ১৫ ম্যাচ খেলে ১০ গোল করেন এবং লিভারপুলের হয়ে জিতে নেন এফএ কাপ ও উয়েফা কাপ। ব্যক্তিগতভাবে এই সিজনে প্রিমিয়ার লীগের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ও নির্বাচিত হন। ২০০৩ সালে জারার্ডের অসাধারণ পারফরম্যান্স স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে হারিয়ে ফুটবল লীগ কাপ জিতে নেয় লিভারপুল। তারপরের বছরের শুরুতেই সামি হাইপিয়ার বদলে লিভারপুলের ভাইস- ক্যাপ্টেনের দায়িত্ব পালন করেন। জেরার্ড এই সময়ে লিভারপুলের পরিপূর্ণ এক মিডফিল্ডার, ক্যারিয়ারের সেরা সময় পার করছে। লিভারপুলও জেরার্ডের সাথে নতুন করে ৪ বছর চুক্তি করে। তবে এই সিজনটা খুব বেশি ভালো যায়নি লিভারপুলের জন্য। ট্রফিলেস একটা সিজন কাটানোর সুযোগে চেলসি একবার চেয়েছিল জেরার্ডকে কিনে নিতে। কিন্তু জেরার্ড তো লিভারপুলের জন্যই জন্মেছে। জেরার্ডের প্রেম যেন শুধু লিভারপুলের সাথেই। এত সহজে কি এই প্রেমের বিচ্ছেদ করা যায়? চেলসিও পারেনি! রাফায়েল বেনিতেজের অনুরোধে থেকে যায় অ্যানফিল্ডে; তারপর? বাকিটা ইতিহাস হয়ে গেল। [caption id="attachment_29431" align="aligncenter" width="1080"] ইস্তাম্বুল, ২০০৫। ছবিঃ ইন্টারনেট[/caption] নতুন বছরের শুরুতেই অলরেড ক্যাপ্টেন্সির আর্মব্যান্ড পড়েন জেরার্ড। শুরু হয়ে যায় লিভারপুলে জেরার্ডের নতুন অধ্যায়। শুরু হয় জেরার্ড- লিভারপুল প্রেমের এক নতুন উপাখ্যান। লিভারপুলে আর্মব্যান্ড পড়ে জিতেছেন ২টি এফএ কাপ,৩টি ফুটবল লীগ কাপ,২টি কমিউনিটি শিল্ড কাপ,  মিরাকল অব ইস্তাম্বুল উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগসহ অসংখ্য ট্রফি। অলরেডদের জার্সি গায়ে ১৭টি মৌসুমে ৭২০ ম্যাচ খেলে ১৮৬ গোল এবং ৯৬টি অ্যাসিস্ট করেন।একজন সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার হিসেবে জেরার্ডের ক্যারিয়ারে দেড়শোর বেশি গোল থাকলেও মূলত তার বেশিরভাগ গোলই ছিল চোখ ধাঁধানো। জেরার্ডের সময় জেরার্ড ঠিক কতটা ভয়ংকর ছিলেন তা বুঝতে দ্যা গ্রেট ম্যাজিশিয়ান রোনালদিনহোর কথা থেকে বুঝা যায়,
"আমার কাছে যে পজিশনে সে খেলে সেখানে বিশ্বের একজন সেরা খেলোয়াড় সে। সে যেভাবে দায়িত্ব নিয়ে খেলে আমার কাছে সে গ্রেটদের একজন।"
তবে জেরার্ডকে সম্ভবত সবচেয়ে ভালোভাবে ব্যাখ্যা করেছেন আরেক ব্রাজিলিয়ান রাজপুত্র রিকার্ডো কাকা-
"আমি জেরার্ডের একজন বড় ভক্ত। তার সিংহের মত বিশাল হৃদয় আছে। আক্রমণের ক্ষমতা ও ডিফেন্স- গুণের কারণে সে একজন পরিপূর্ণ মডার্ন ফুটবলার।"
জগতের কোনকিছুই অসীম নয়। যা কিছুর শুরু হয়েছে সবকিছুরই শেষ হয়েছে। হুম, অলরেড-জেরার্ড প্রেমের ও সাময়িক বিচ্ছেদ হয়েছে। ২২শে মার্চ ২০১৫, আন্দ্রে হেরেরা বদলি হিসাবে লিভারপুলের হয়ে শেষ খেলতে নামেন জেরার্ড। সতের বছর যে অ্যানফিল্ডে কাটালেন, সেই মাঠে বিদায়ী ম্যাচে সতীর্থরা অবশ্য তাকে জয়টা উপহার দিতে পারেননি তাঁকে। ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে লিভারপুল ম্যাচটা হারে ৩-১ গোলে। ম্যাচটা হেরেছিলেন ঠিকই কিন্তু অ্যানফিল্ডে ম্যাচ শুরুর আগে স্টোডিয়ামে প্রায় ষাট হাজার দর্শক আর সতীর্থরা ক্যাপ্টেন ফ্যান্টাস্টিককে যেভাবে বিদায়ী অভ্যর্থনা জানালেন, সেটি বা কম কিসের? অবশ্য এই রকম অভ্যর্থনা জেরার্ডের প্রাপ্যই ছিল। এতকিছুর মাঝে জেরার্ডের ক্যারিয়ারেও দাগ আছে। কখনও কখনও আপনার দুর্ভাগ্য দেখে আপনার শত্রুও কাঁদে। স্টিভেন জেরার্ড সেই দুর্ভাগাদের একজন। এত এত শিরোপা, এতসব দারুণ গোল, দারুণ ক্যাপ্টেন্সির জন্য বিশ্বব্যাপি খেতাব থাকলেও আঠারো লীগ টাইটেল জয়ী দলের হয়ে একটিবারও প্রিমিয়ার লীগের স্বাদ নিতে পারেনি। [caption id="attachment_29432" align="aligncenter" width="850"] ইস্তাম্বুল, ২০০৫। ছবিঃ ইন্টারনেট[/caption] এটা ঠিক আপনি ব্যর্থতা বলতে পারবেন না, দুর্ভাগ্য বলতে পারবেন, নতুবা সৃষ্টিকর্তা চায় নাই বলতে পারেন; নাহয় প্রিমিয়ার লীগের এত কাছে গিয়েও চেলসির কাছে সেই বিখ্যাত স্লিপ অলরেড ফ্যানরা কি এত সহজে ভুলবে? নইলে কেনইবা এত বছরের আক্ষেপ মাত্র কয়েক সেকেন্ডে শেষ হয়ে যাবে? নাহয় চ্যাম্পিয়নস লীগ যার স্পর্শ পেয়েছে, প্রিমিয়ার লীগ কেন তার অধরা থেকে যাবে? সব প্রশ্নের জবাব কিন্তু একটাই; স্টিভেন জেরার্ড সত্যিকারই দুর্ভাগা ছিলেন। শুধু ফুটবলার হিসাবেই না, ব্যক্তিজীবনেও জেরার্ড ছিলেন প্রচন্ড আবেগী। তাই আবেগ যে ফুটবলেও ছড়ানো যায় তা দেখিয়েছিলেন তিনি। হিলসবোরো ট্রাজিডিতে মারা যাওয়া ১০ বছর বয়সী প্রিয় ছোট্ট কাজিনের শোক একটিবারও ভুলতে পারে নাই। তাই ক্যারিয়ারেও অনুপ্রেরণা হিসাবে নিয়েছেন কাজিনকে। বারবার আবেগী হয়ে গনমাধ্যমেও কাজিনের কথা বলেছেন। নিজের বিখ্যাত আত্মজীবনীতে লিখেছেনঃ "আমি প্রতিটা ম্যাচ তার (কাজিন) জন্য খেলি...." [caption id="attachment_29433" align="aligncenter" width="850"] ছবিঃ ইন্টারনেট[/caption] হ্যাঁ ক্যারিয়ারে খুব বেশি ট্রফি নেই, মেসি-রোনালদো বা অন্যকোন গ্রেটদের মত ভুরিভুরি এত গোলও নেই তবুও তিনি ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম সেরা মিডফিল্ডারদের একজন। ক্যাপ্টেন হয়ে দলকে উজ্জীবিত করা, সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া- জেরার্ড ছিলেন লিভারপুলের ফুল প্যাকেজ। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অলরেডদের মাঝে তিনি যে লিগ্যাসিটা রেখে গেছেন তা এখনও বর্তমান রয়েছে। হয়তো তাই মানুষ এখন স্টিভেন জেরার্ড বলতে লিভারপুল, আর লিভারপুল বলতে জেরার্ডের কথাই বুঝে। আজ লিভারপুলের সবার প্রিয় স্টিভি জি'র একচল্লিশতম জন্মদিন।

শুভ জন্মদিন, স্টিভেন জেরার্ড।

 
লেখা: এ.এইচ বাদশা