ম্যাক্সওয়েলদের বিশ্রাম চাওয়ায় অবাক অ্যারন ফিঞ্চ

প্রকাশ: শনিবার, ১৯ জুন, ২০২১ | ১১:৪১:২১

ডেস্ক রিপোর্ট

ম্যাক্সওয়েলদের বিশ্রাম চাওয়ায় অবাক অ্যারন ফিঞ্চ ছবি - ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া

৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে আগামী আগস্টে বাংলাদেশ সফরে আসছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল, সিরিজের জন্য ১৮ সদস্যের চূড়ান্ত দলও ঘোষণা করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। প্রাথমিক দলে থাকলেও চূড়ান্ত দলে নেই ডেভিড ওয়ার্নার, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, প্যাট কামিন্সসহ শীর্ষ ৭ ক্রিকেটার।

ব্যস্ত সূচি, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও জৈব সুরক্ষা বলয়ের কারণে তাদের না খেলার সিদ্ধান্ত ইতিবাচক হিসেবেই দেখছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া, সতীর্থদের এই সিদ্ধান্তকে যৌক্তিক হিসেবে দেখছেন অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চও। তবে এই ক্রিকেটাররাই যদি বাংলাদেশে না এসে আইপিএলে খেলতে চায় তাহলে এটার ব্যাখ্যা দেওয়া তাদের জন্য কঠিন হবে বলেই মনে করেন ফিঞ্চ।

আইপিএলের বাকি অংশে খেলা প্রসঙ্গে ফিঞ্চের মতঃ

“এটা একান্তই আমার ব্যক্তিগত মত। আমার ধারণা, সামনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আছে, এরপর ব্যস্ত গ্রীষ্মকালীন মৌসুম আছে। এ অবস্থায় শুধু খেলার চাপের কথা চিন্তা করেই আইপিএলের বাকি খেলতে চাওয়ার ব্যাখ্যা দেওয়া কঠিন হবে। এটা খুবই কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলেছে সবাইকে। কিন্তু আমি জানি, এটা করা কঠিন হবে। কারণ এটা মানসিক ভাবে এবং আপনার পরিবারের ওপর অনেক চাপ ফেলে।”

প্যাট কামিন্স, ডেভিড ওয়ার্নারদের বিশ্রাম নেওয়া যৌক্তিকতা উল্লেখ করে ফিঞ্চ জানিয়েছেন, যারা তিন সংস্করণেই খেলেন তাদের জন্য এত সফর কঠিনই। এমন কি অ্যাশেজ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে তাদের না খেলার বিষয়টিকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশই বলছেন অজি এই অধিনায়ক।

প্যাট কামিন্স, ডেভিড ওয়ার্নারের না খেলা প্রসঙ্গে ফিঞ্চের যুক্তিঃ

“প্যাট কামিন্স ও ডেভিড ওয়ার্নার ওরা যে এই সফরে যাচ্ছে না, সেটা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ। গত মৌসুমে আইপিএল শেষ হওয়ার পর দীর্ঘ একটা গ্রীষ্ম কাটিয়েছে, এখন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আছে, অ্যাশেজ আছে। যারা তিনটি সংস্করণই খেলে, তাদের জন্য এত সফর করা আর জৈব সুরক্ষাবলয়ে থাকা খুব কঠিন।”

কামিন্সদের বিশ্রাম যৌক্তিক মানলেও শুধু সীমিত ওভারে খেলা ক্রিকেটারদের সিদ্ধান্তে অবাক হয়েছেন বলেও জানিয়েছেন অ্যারন ফিঞ্চ।

বিশ্রামের চেয়ে ওরা থাকলেই বেশি খুশি হতেন অস্ট্রেলিয়ান এই অধিনায়ক।

“আমি অন্যদের সিদ্ধান্তে একটু অবাক হয়েছি। আমি সবার সাথেই কথা বলেছি। একটু বিস্ময়কর, কিন্তু ওদের ভাবনাটা বুঝতে পারছি। আমি নিজে যুক্তরাজ্যে গিয়েছিলাম, এরপর দীর্ঘ একটা গ্রীষ্ম মৌসুম খেলার পর শেষ দিকে মানসিকভাবে প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিলাম। মৌসুম শেষে তাই খুশি হয়েছিলাম, যাক শেষ হলো। তাই ওদের ব্যাপারটা বুঝতে পারছি, কিন্তু ওরা থাকলে ভালো লাগতো।”