বিজ্ঞাপন

অফিসিয়াল গ্রুপে যোগ দিন

বাংলাদেশের স্পোর্টসভিত্তিক শীর্ষ অনলাইন ম্যাগাজিন

টপ ট্রেন্ডিং সাকিব আল হাসান/ তামিম ইকবাল/ মুশফিকুর রহিম/ বিরাট কোহলি/ বাবর আজম/ মেসি/ নেইমার/ রোনালদো/ ব্রাজিল/ আর্জেন্টিনা/ রিয়াল মাদ্রিদ/ বার্সেলোনা/ পিএসজি

সতীর্থদের উপর রেগে গিয়েছিলেন জামাল

প্রকাশ: শনিবার, ২৬ জুন, ২০২১ | ২২:০৫:১৫

মোঃ রানা শেখ

মাঝে মাঝে জামাল ভুইয়াও রেগে যান।
মাঝে মাঝে জামাল ভুইয়াও রেগে যান।
মাঝে মাঝে জামাল ভুইয়াও রেগে যান। মাঝে মাঝে জামাল ভুইয়াও রেগে যান।

বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভুইয়াকে ম্যাচ চলাকালীন সময়ে সচারচর কখনো কী দেখেছেন প্রতিপক্ষ বা সতীর্থের উপর রেগে যেতে? আপনি বা আমি হয়তো খুব বেশি এরকম চিত্রের সাক্ষী হইনি। তবে জামাল রাগেন, জামাল রেগেছিলেন কিন্তু প্রতিপক্ষের কোন খেলোয়াড় বা রেফারির উপর নয়, কখনও কখনও জামাল রাগেন নিজের সতীর্থদের উপর। এখন নিশ্চয় জানতে ইচ্ছা করছে কোন ম্যাচে জামাল এমন রেগেছিলেন। জ্বী, হ্যা অবশ্যই জানতে পারবেন।

একটি নয় দু-দুটি ম্যাচে জামাল মাঠেই রাগ প্রকাশ করেছিলেন। কেন বা কী কারণে সতীর্থদের উপর রাগ করেছিলেন সেটা জানিয়েছেন জামাল ভুইয়া নিজেই। কোন আবেগ বা প্রেসার নয় সতীর্থদের মাঠের শারীরিক ভাষার কারণেই জামাল এই দুই ম্যাচে রেগে গেছিলেন।

 

জামাল যে দুই ম্যাচে রাগ প্রকাশ করেছিলেন এর মধ্যে একটি হল নেপালে আয়োজিত ২০১৯ সাউথ এশিয়া গেমসের ফুটবল ম্যাচে। উক্ত ম্যাচে নেপালের কাছে ১-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। গোল হজমের পর সতীর্থদের মধ্যে ম্যাচে ফেরার কোন তাড়না বা আগ্রহ দেখেছিলেন না বাংলাদেশ অধিনায়ক। যে কারণেই সতীর্থদের উপর চটেছিলেন বাংলার এই পোস্টার বয়। সেই সাথে উক্ত ম্যাচে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল জামালকে। প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়কে তেড়ে এসে ফাউল করার জন্য ম্যাচে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে লাল কার্ডও দেখেছিলেন তিনি । লাল কার্ড দেখার পর প্রধান ও সহকারী রেফারিকে ধাক্কা দেন তিনি। আহত নেপালি খেলোয়াড়ের শরীরে পাও ছুঁইয়েছিলেন তিনি।

এছাড়া অন্য একটি হল কাতারে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ভারতের কাছে ২-০ গোলে হারের ম্যাচ। ৭৯ মিনিটে সুনিল ছেত্রীর গোলে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ২০১৯ এ নেপালের বিপক্ষে ম্যাচের মতই গোল হজমের পরেও সতীর্থদের মধ্যে ম্যাচে ঘুরে দাড়ানোর কোন লক্ষণ বা আগ্রহ দেখেননি জামাল। যে কারণে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে হার্ড ট্যাকেল করে নিজেদের আগ্রাসী মনোভব বোঝাতে চেয়েছিলেন জামাল ভুইয়া। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

এই দুই ম্যাচে সতীর্থদের উপর রেগে যাওয়ার ব্যাপারে জামালের মন্তব্যঃ

“নেপালেরর সাথে যখন রাগছিলাম তখন তো ৯৪ মিনিট, আমরা পিছিয়ে আছি তবুও কেউ ট্যাকেল করতে চায় না, কেউ এগ্রেসিভ হয় না। ভারতের সাথেও একই, আমরা গোল খাইছি তবুও দেখি কারো মধ্যে কোন রিয়াকশন হয় না। তখনও খেলা শেষ হয় নাই তাই সুযোগ ছিল ম্যাচে ফেরার কিন্তু আমি দেখতেছি কারো মধ্যে কোন রিয়াকশন নেই তাই এই সময়ে আমি হার্ড ট্যাকেল করেছিলাম যাতে সবাই আর একটু এগ্রেসিভ হয়। কিন্তু মনে হয় আমরা ওই ম্যাচে ক্লান্ত হয়ে গেছিলাম।”

শুধু বাংলাদেশের জামাল ভুইয়া নয়, বিশ্বের সব ফুটবল দলের অধিনায়কেরাই গোল হজমের পর দলকে ম্যাচে ফেরাতে সবাইকে উজ্জেবিত করেন। সেই সাথে সতীর্থরাও ম্যাচে ফেরার জন্য প্রাণ পণ চেস্টা করে থাকেন।

সাম্প্রতিক খবর

বাংলাদেশ ফুটবল / ফিফা র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি বাংলাদেশের
বাংলাদেশ ফুটবল / ঢাকায় এসে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেই ফাইনালের কথা স্মরণ করলেন গ্রান্ট
ক্লাব ফুটবল / ২০২১-এর ক্লাব বিশ্বকাপ হবে আরব আমিরাতে
বাংলাদেশ ক্রিকেট / সুপার টুয়েলভে ওঠার মিশনে পিএনজির বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট / পাকিস্তান নয়, ইনজামামের চোখে বিশ্বকাপে ফেভারিট ভারত
বাংলাদেশ ফুটবল / লঙ্কা সফরে বাংলাদেশের কোচ পর্তুগালের মারিও লেমোস
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট / বাংলাদেশকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন পিএনজির
টপ ট্রেন্ডিং সাকিব আল হাসান/ তামিম ইকবাল/ মুশফিকুর রহিম/ বিরাট কোহলি/ বাবর আজম/ মেসি/ নেইমার/ রোনালদো/ ব্রাজিল/ আর্জেন্টিনা/ রিয়াল মাদ্রিদ/ বার্সেলোনা/ পিএসজি