ফুটবল > আন্তর্জাতিক ফুটবল

এবারের ইউরোর 'আত্মঘাতী' গল্প

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২১, বিকাল ৫:৩৫ সময়

[ 1325934896-0 ]
ছবিঃ ইন্টারনেট
না, এবারের ইউরো চ্যাম্পিয়নশীপে গোল্ডেন বুট রেসে কোন ফুটবলার নয়। এগিয়ে আছে আত্মঘাতী গোল। ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের আসরে এখন পর্যন্ত সর্বাধিক গোল ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। গ্রুপপর্বের তিন ম্যাচে মোট পাঁচ করেছেন পর্তুগিজ মহাতারকা। এত গোল করেও আসরে গোল্ডেন বুট রেসে পিছিয়ে আছে পাঁচবারের বর্ষসেরা ফুটবলার। বড় কোন ফুটবলার নয়, বরং আসরে আত্মঘাতী গোলের কাছেই পিছিয়ে আছেন তিনি। ইউরোর এবারের আসরে গ্রুপপর্বে ৮টি আত্মঘাতী গোল হওয়ার পর নক আউট স্টেজেও আজ হয়েছে আরও এক আত্মঘাতী গোল। [caption id="attachment_34762" align="alignnone" width="300"] ছবিঃ ইন্টারনেট[/caption] সবমিলিয়ে আজ স্প্যানিশ তরুণ মিডফিল্ডার পেদ্রি নিজেদের জালে গোল করে আসরে সবমিলিয়ে আত্মঘাতী গোলের সংখ্যা নিয়ে গেল ৯-এ। ইউরোর ইতিহাসে আর কখনও এত সংখ্যক আত্মঘাতী গোলের দেখা মিলেনি। এর আগের সব আসর মিলিয়ে ইউরোয় আত্মঘাতী গোলসংখ্যা ছিল ৯টি। আর এবার নক আউট স্টেজে আত্মঘাতী গোলসংখ্যা হয়ে গেল ৯! শুরুটা করেছিলেন তুরস্কের মেরি ডেমিরাল। ম্যাচের ৬৩তম মিনিটে নিজেদের জালে গোল করে ইউরোর এবারের আসরের প্রথম আত্মঘাতী গোলটি করেন ২৩ বছর বয়সী এ ডিফেন্ডার। তারপর গ্রুপপর্বে আত্নঘাতী গোল হয় আরো ৭টি।এর মধ্যে পোল্যান্ডের গোলরক্ষক বয়েচেক সেজনি, জার্মানির ম্যাটস হামেলস, পর্তুগালের রুবিন দিয়াস ও রাফায়েল গুরেইরো ফিনল্যান্ডের লুকা হ্রিডেকি, স্লোভাকিয়ার মার্টিন দুব্রভকা ও জুরাজ কুক্কা নিজেদের জালে গোল করেন। [caption id="attachment_34763" align="alignnone" width="300"] ছবিঃ ইন্টারনেট[/caption] এই তালিকায় সবশেষ যুক্ত হলো স্পেনের তরুণ মিডফিল্ডার পেদ্রির নাম। আসরের কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রথমার্ধে আত্মঘাতী গোল করে বসেন বার্সেলোনার এই মিডফিল্ডার। অবশ্য এতে, পেদ্রির চেয়েও স্প্যানিশ গোলরক্ষক উনাই সিমোনেরই দোষ বেশি দেখা যায়। এবারের আসরের আগে ইউরোয় কখনও এক ম্যাচে দুটি আত্মঘাতী গোল হয়নি। এবার তা দেখা গেল দুই ম্যাচে। জার্মানির বিপক্ষে পর্তুগাল দুটো আত্মঘাতী গোল করার পর স্পেনের বিপক্ষে স্লোভাকিয়াও দুটি আত্মঘাতী গোল করে। [caption id="attachment_34764" align="alignnone" width="300"] ছবিঃ ইন্টারনেট[/caption] ১৯৭৬ আসরে ইউরোর ইতিহাসে প্রথম আত্মঘাতী গোলের দেখা মেলে। পরের চার আসরে ছিল না কোনও আত্মঘাতী গোল। ১৯৯৬ ও ২০০০ আসরেও হয় একটি করে। ২০০৪ আসরে হয় দুটি, ২০১২ সালে একটি। তারপর সব রেকর্ড ছাড়িয়ে ২০১৬ আসরে ৩টি আত্মঘাতী গোলের রেকর্ড হয়। এবার কোয়ার্টার ফাইনালে হয়ে গেল তারও তিনগুণ।