বিজ্ঞাপন

অফিসিয়াল গ্রুপে যোগ দিন

বাংলাদেশের স্পোর্টসভিত্তিক শীর্ষ অনলাইন ম্যাগাজিন

টপ ট্রেন্ডিং সাকিব আল হাসান/ তামিম ইকবাল/ মুশফিকুর রহিম/ বিরাট কোহলি/ বাবর আজম/ মেসি/ নেইমার/ রোনালদো/ ব্রাজিল/ আর্জেন্টিনা/ রিয়াল মাদ্রিদ/ বার্সেলোনা/ পিএসজি

বিদায়, ‘মিস্টার ৩৬০ ডিগ্রি’

প্রকাশ: শুক্রবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২১ | ২১:১৯:৩৮

ডেইলি স্পোর্টসবিডি ডেস্ক

ছবি - সংগৃহীত
ছবি - সংগৃহীত

৪, ২, ১, ১,৪, ৬, ৪, ৬ ,৬, ০, ২, ২, ১ (লেগবাই), ১, ৬, ৬, ৬, ৪, ৬, ১, ৪, ১, ১, ০, ৪, ৪, ০, ৬, ৪, ৬, ৬, ৬, ১(লেগবাই), ৬, ১, ৬, ৬, ৪, ৬, ৬, ২, ২, ০, এবং আউট।

(১) ১৬ বলে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের দ্রুততম অর্ধশতক।
(২) ৩১ বলে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের দ্রুততম শতক।
(৩) একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শত রানের ইনিংসে সবচেয়ে বেশি স্ট্রাইক রেট ৩৩৮.৬।
(৪) ইয়ান মরগানের পর রোহিত শর্মা, ক্রিস গেইল এবং জাসকারান সিং মালহোত্রার সাথে যৌথভাবে একদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এক ম্যাচে সর্বাধিক ছক্কা।

এটি কেবল একজন ক্রিকেটারের ওয়ানডে মাত্র এক ইনিংসের গল্প! ক্রিকেটের সবাই সেদিন দেখেছিল এক অন্যরকম সুপার ইনহিউম্যান পারফরম্যান্স; ক্রিকেটের আদিম প্রতাপশালী উইন্ডিজ বোলারদের বেধড়ক পিটিয়ে তুলোধুনো করে আমাদের মতই রক্তে মাংসেগড়া এক মানব রান করেছেন সাইক্লোন গতিতে। গল্লটি রচিত হয়েছিল মাতৃভূমি জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্সে; প্রতিপক্ষ ছিল ক্রিস গেইল-ড্যারেন সামিদের ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

ছবিঃ টুইটার

আমাদের প্রজন্মের যে অল্প কয়জন ক্রিকেটার, যারা সত্যিকার অর্থেই ‘জিরো হেটার্স’ ট্যাগ পেয়েছেন কিংবদন্তি এই স্টাইলিশ প্রোটিয়া তাদের একজন। ইনোভেটিভ স্ট্রোকপ্লে, ক্লিন হিটিং এবিলিটি, ভয়ডরহীন মানসিকতা এবং আগ্রাসনের সাথে টেম্পারমেন্ট নিখুঁত কম্বিনেশন তাঁকে করে তুলেছিল সবার চেয়ে আলাদা। ১৪২-৪৫ সব বিধ্বংসী গতি বলে শুয়ে, বসে অবলীলায় রিভার্স-সুইপ করে পাঠিয়ে দিতে পারতেন গ্যালারিতে। ক্রিকেটের সব ব্যকরণকে স্রেফ বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে খেলেছেন উদ্ভাবনী সব শট। অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন, দলকে জিতিয়েছেন বহুবার। ক্রিকেট দুনিয়ায় পরিচিত পেয়েছিলেন মিস্টার ৩৬০ ডিগ্রি নামে।

রিভার্স সুইপ বা হাটু গেড়ে ফাইন লেগের উপর দিয়ে বিশাল ছক্কা হাঁকানো পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজটিই ছিল যার জন্য দুধভাত! ক্রিকেটের চারপাশে বাহারি রকম ক্রিকেটীয় সব শর্ট খেলে চার-ছক্কায় মন মাতানো ব্যাটিংয়ে ক্রিকেটপ্রেমীর বিনোদিত করায় তিনি ছিলেন অনন্য, একক ও অদ্বিতীয়। তিনি আর কেউ নন। ক্রিকেটের নিখাদ বিনোদনের ফেরিওয়ালা আব্রাহাম বেঞ্জামিন ডি ভিলিয়ার্স।

তাই ক্রিকেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম ক্রিকইনফো নিজেদের এক আর্টিকেলে তার সম্পর্কে লিখেছে, “The sound of de Villiers’ bat is so crisp, the contact so pure, the movement so economical, the shots taking on an aura of inevitability.”

আধুনিক ক্রিকেটে ডি ভিলিয়ার্স ঠিক কতটা মুগ্ধতা ছড়িয়েছিলেন ভারতীয় কিংবদন্তি ‘দ্য ওয়াল’ খ্যাত রাহুল দ্রাবিড়ের কথা শুনলেই বুঝা যায়। মিস্টার ৩৬০ ডিগ্রিতে মুগ্ধ হয়ে তিনি বলেই ফেলছিলেন, “এবি ডি ভিলিয়ার্স ক্রিকেটের নিয়মই বদলে দিচ্ছে।”

আরও খেলার খবরঃ   আরও একটা ক্ষমা কি পেতে পারেন শাহাদাত?

আর ভারতের প্রখ্যাত ধারাভাষ্যকার আকাশ চোপড়া বলেছেন, “এবি (ডি ভিলিয়ার্স) এর ডিএনএ টেস্টের দাবি জানায়, কেননা ক্রিকেট মানুষের খেলা।”

ছবিঃ ইন্টারনেট

১৯৮৪ সালের ১৭ ই ফেব্রুয়ারি বর্ণবাদী আন্দোলের অবিসংবাদিত নেতা নেলসন মেন্ডেলার দেশ দক্ষিন আফ্রিকার ট্রান্সভাল প্রদেশের প্রিটোরিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। বাবা আব্রাহাম ছিলেন পেশায় একজন চিকিৎসক, মা মিলি ছিলেন রিয়াল এসেস্ট কোম্পানির চাকুরীজীবি। তিন ভাইয়ের মধ্যে ডি ভিলিয়ার্স ছিলেন সবার ছোট, ছোট বলেই ছিলেন সকলের  আদূরে। ডি ভিলিয়ার্স ছোটবেলায় খেলাধুলায় যেমন ছিলেন পাকাপোক্ত, পড়াশোনায় ছিলেন ভীষণ ভালো। প্রাথমিক স্কুলে থাকাকালীন সময়েই জাতীয় বিজ্ঞান প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে স্বর্ণপদক লাভ করেছিলেন।

তবে ক্রিকেটার হিসেবে বিখ্যাত হলেও, ডি ভিলিয়ার্সের স্বপ্ন ছিলো তার বাবার মতোই ডাক্তার হওয়া। দক্ষিণ আফ্রিকার বাকী অন্যসব সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তানদের মত তার জীবনও রাগবি এবং টেনিস দিয়ে শুরু হলেও ক্রিকেটই হয়েছে তার শেষ ঠিকানা।

শৈশবেই অলরাউন্ডার এবি ডি ভিলিয়ার্স সব ধরণের খেলার পারদর্শীতা থাকা শর্তেও  ক্রিকেটকে পেশাদার খেলা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। এবি ডি ভিলিয়ার্সে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেয় হয় ইংল্যান্ডে বিপক্ষে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রাজত্ব শুরু হয় ইংল্যান্ডের সাথে টেস্ট ম্যাচ দিয়েই। ১৬ই ডিসেম্বর ২০০৪ মাত্র বিশ বছর বয়সেই খেলতে নামেন তিনি। অভিষিক্ত ম্যাচেই ইনিংস বাঁচানো অর্ধশতক করে রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছিলেন। তবে, নিজের সবচেয়ে প্রিয় ফরমেট ওয়ানডেতে ডেব্যু হতে সময়ে লাগে এক বছর। ২০০৫ সালে এক দিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষিক্ত হয় তাঁর। ক্রিকেটের সবচেয়ে ছোট সংস্করণ টি-টোয়েন্টিতে তাঁর অভিষেক হয় ২০০৬ সালে।

ক্রিকেট দুনিয়া বিধ্বংসী ব্যাটার হিসেবে বেশি পরিচিত হলেও, ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণ টেস্টেও নিজের ছাপ রেখে গেছেন ডি ভিলিয়ার্স। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ১১৪ টেস্টে ১৯১ ইনিংসে দ্রুত তম পাঁচ, ছয়, সাত এবং আট হাজার রানসহ করেছেন ৪র্থ সর্বাধিক ৮৭৬৫  রান এবং ২২ সেঞ্চুরি। ৫৪.৫১ স্ট্রাইকরেট এবং ৫০.৬৬ ব্যাটিং গড়। মোট ছয় মেরেছেন সর্বোচ্চ ৬৪টি, আর চার মেরেছেন ১০২৪টি। ইনিংস অপরাজিত ছিলেন মোট ১৮বার।

ছবিঃ ইন্টারনেট

পাকিস্তানের বিপক্ষে অপরাজিত ২৭৮ রানের ইনিংস টেস্ট ক্যারিয়ার সেরা। টেস্ট ক্রিকেটে এবি ডি ভিলিয়ার্স টানা ৭৮ ইনিংসে কোন ডাক মারেননি। একেবারে ৭৯তম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের সাথে প্রথম ডাক মারেন। টেস্টে ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি টানা ১২ ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরি রেকর্ডের মালিক ডি ভিলিয়ার্স। টেস্টে একক ইনিংসে যৌথভাবে সর্বাধিক ১১ ডিসমিসাল করার রেকর্ডটিও প্রোটিয়া কিংবদন্তির দখলে।

এবি ডি ভিলিয়ার্সের দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ক্যারিয়ারে ২২৮ ওয়ানডে ম্যাচে ২১৮ ইনিংস ব্যাটিং করে দেশের হয়ে দ্বিতীয় সর্বাধিক ৯৪২৭ রান এবং শতক করেছেন ২৫টি। একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেশের হয়ে সর্বাধিক ২০০ ছয়ের মালিকও তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ওয়ানডেতে অন্তত পাঁচ হাজার রান করেছেন, এমন ব্যাটারদের ভিতর সর্বোচ্চ স্ট্রাইকরেট তাঁর, ১০১.০৯। ব্যাটিং গড়ও সর্বোচ্চ ৫৩.৫০। চার মেরেছেন ৮৪০টি, ছয় ২০৪টি। বাংলাদেশের বিপক্ষে করেছেন ওয়ানডে এক ইনিংসে ব্যাক্তিগত সেরা ১৭৬ রানের চকচকে ইনিংস।

আরও খেলার খবরঃ   পিটার ড্রুরি: ফুটবলের কবি যিনি

একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্রুততম শতক, অর্ধ শতক, এবং দ্রুততম দেড়শো রান করার রেকর্ডটি এবি ডি ভিলিয়ার্সের দখলে। একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ইতিহাসে মাত্র তিনজন ক্রিকেটার এক সিরিজে তিনটি শতক হাঁকিয়েছেন। এবি ডি ভিলিয়ার্স তাদের মধ্যেই একজন। ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি টানা তিন ইনিংসে শতক হাঁকানো দুই ক্রিকেটারের একজন তিনি। এমনকি একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সপ্তম দ্রুততম ছয় হাজার, তৃতীয় দ্রুততম সাত হাজার, তৃতীয় দ্রুততম আট হাজার ও দ্বিতীয় দ্রুততম নয় হাজার রানের রেকর্ডগুলোও তাঁর দখলে। যদিও, ওয়ানডেতে এক সিরিজে সবচেয়ে বেশি তিনটি ডাক মারার বাজে রেকর্ড ও আছে তাঁর-ই।

ক্রিকেটের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম সংস্করণ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ডি ভিলিয়ার্স ৭৮ ম্যাচে দেশের হয়ে দ্বিতীয় সর্বাধিক ১৬৭২ রান করেছেন। চার-ছক্কার মহারণে ১০টি অর্ধশতক, ৬০টি ছক্কা এবং সর্বাধিক ১৪০টি চার রয়েছে তার দখলে। ১৩৫.১৬ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং গড় ২৬.১২। ব্যক্তিগত সেরা ইনিংসটি খেলেছেন অপরাজিত ৭৯ রানে, স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে।

ছবিঃ টুইটার

ক্রিকেট মাঠে এবি ডি ভিলিয়ার্স শুধু একজন ব্যাটার -ই ছিলেন না; বরং উইকেটের পিছনেও বেশ পারদর্শী একজন কিপার ছিলেন। উইকেটের পিছন ছেড়ে মাঠের চারপাশেও এবি ডি ভিলিয়ার্স ছিলেন সুপারম্যান। বলা হয়ে থাকে, প্রোটিয়ান আরেক কিংবদন্তি ফিল্ডার জন্টি রোডস পরবর্তী দক্ষিণ আফ্রিকার সবচেয়ে খতরনাক ফিল্ডারই এবি ডি ভিলিয়ার্স।

দারুণ সব ক্যাচ এবং চার-ছয় বাচাঁনো নয়নাভিরাম সব ফিল্ডিং তাকে নিয়ে গেছে এক অনন্য উচ্চতায়। বর্ণাঢ্য ক্রিকেট ক্যারিয়ারে টেস্টে ২২২, ওয়ানডে ১৭৬ ও টি-টোয়েন্টিতে ৬৫টি সহ মোট ক্যাচ ধরেন ৪৬৩টি। সবমিলিয়ে স্ট্যাম্পিং আউট করেন ১৭টি। ২০১৩ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোহানেসবার্গে এক টেস্টে ১১টি ডিসমিসাল করে ইংল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটার জ্যাক রাসেলের ১১টি ডিসমিসালের ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে ভাগ বসান। একই টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ১১৭ বলে ১০৩ রান করে ক্রিকেট ইতিহাসে একমাত্র উইকেট উইকেট রক্ষক হিসেবে ১০টি ডিসমিসাল ও অর্ধশতক করার অনন্য কীর্তি গড়েছেন ডি ভিলিয়ার্স।

ক্যারিয়ার জুড়ে দারুণ ধারাবাহিকতার পেয়েছেন স্বীকৃতিও। ২০১০, ২০১৪ এবং ২০১৫ সালসহ মোট তিনবার জিতেছেন এক দিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আইসিসির বর্ষসেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার। ছিলেন ক্রিকেটের বাইবেল খ্যাত উইজডনের গেল দশকের সেরা পাঁচ ক্রিকেটারের তালিকায়। গ্রায়াম স্মিথ পরবর্তী দক্ষিণ আফ্রিকাকে নেতৃত্ব দিয়ে দলকে তুলেছিলেন ২০১৫ সালের আইসিসি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে!

আরও খেলার খবরঃ   কিংবদন্তি আমিনুলের মতো হতে চান জিকো

তবে, বিধ্বংসী মানুষটিও যে প্রচন্ড আবেগী হতে পারে তা দেখা গিয়েছিলো বিশ্বকাপে! কিউইদের বিপক্ষে স্বপ্ন খুব কাছে এসেও সব হারিয়ে ফেলেছিলেন। ব্যাট হাতে একটি যুগ বোলারদের শাসন করা মানুষটি তখন চোখ দুটো লাল করে শুয়ে পড়েন মাটিতে। দেশকে বড় কিছু না দেবার আক্ষেপও যেন তাকে কুঁড়ে কঁড়ে খাচ্ছিলো। সেদিন কেঁদেছিল ডি ভিলিয়ার্স! তার সাথে কেঁদেছিল সারা বিশ্বও!

তারপরও সবকিছুই ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু, বছর দুয়েক আগে হঠাৎ করেই দেশের জার্সি পড়ে আর না খেলার কথা জানিয়ে দেন। পারিবারিক কারণ দেখিয়ে শোকেসে রেখে দিয়েছিলেন প্রিয় দেশে জার্সি। ২০১৮ সালে সবাইকে অবাক করে দিয়ে জাতীয় দল থেকে অবসর নেন বিশ্ব ক্রিকেটের বিনোদনের ফেরিওয়ালা। যাওয়ার আগে এক ভিডিও বার্তায় বলেছিলেন,

“এখন সময় এসেছে অন্যদের সুযোগ করে দেওয়ার। আমি আমার খেলা খেলেছি এবং সত্যিই বলছি, আমি ক্লান্ত! পরিবারকে সময় দেওয়ার জন্যই এই সিদ্বান্ত।”

দুই বছর আগে জাতীয় দল থেকে অবসর নিলেও এতদিন ঠিকই খেলে গিয়েছেন ক্রিকেটে। ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেটেও ছিলেন নিয়মিত মুখ। কালের পরিক্রমায় দেড় যুগ নেহাত কম নয়। গত দেড় যুগে পৃথিবী পাল্টে গেছে অনেকখানি। কিন্তু তিনি ছিলেন ঠিক অবিচল। জাতীয় দলে হয়ে ক্যারিয়ারে ইতি টানলেও ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট এখনো তাকে নিয়ে ক্রিকেটভক্তদের মাতামাতি কমেনি এতটুকু। ভবিষ্যতেও হয়তো তা থাকবে। কিন্তু ক্রিকেট ব্যাট হাতে আর দেখা যাবে না এবি ডি ভিলিয়ার্সকে। আজ (শুক্রবার) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় সবধরনের ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটের জীবন্ত কিংবদন্তি।

ক্রিকেটের সফলতম ব্যাটারদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি বিশ্বের সব প্রান্তের মানুষের নিখাদ, অকৃত্রিম ভালবাসা। এবি ডি ভিলিয়ার্সের বিদায়ে তাই ক্রিকেট-বিশ্বে এখন হাহাকার। তাঁর স্কিল, টেম্পারমেন্ট, এডাপ্টিবিলীটি, প্লেয়িং আন্ডার প্রেসার, স্ট্যামিনা সবকিছুতেই আপ টু মার্ক, স্টেপ আউট করে বেরিয়ে সজোরে ছক্কা মারার দৃষ্টিসুখকর দৃশ্যগুলো আর দেখা যাবে না কখনো। মিস্টার থ্রি সিক্সটি ডিগ্রির বিদায়ে ক্রিকেটের অন্যতম উজ্জ্বল অধ্যায়েরও সমাপ্তি।

বিদায়, মিস্টার ৩৬০°।

লেখা: এ.এইচ বাদশা

সাম্প্রতিক খবর

বাংলাদেশ ফুটবল / সেরাটা খেলেই সেমিফাইনালে যেতে চায় আবাহনী
খেলাধুলায় মেয়েরা / বাংলাদেশ ফুটবল / সাফের দলে নতুন দুই মুখ
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট / অধিনায়ক না হলেও দলের নেতা কোহলিই, রোহিতের শান্তির বার্তা
বাংলাদেশ ফুটবল / বিকেএসপি / প্রতি বিভাগে বিকেএসপি গড়ে তোলার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
ক্লাব ফুটবল / কোভিড প্রাদুর্ভাবে স্থগিত টটেনহ্যাম-রেঁনে ম্যাচ
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট / ড্যানি মরিসনের চোখে সবচেয়ে ওভাররেটেড ক্রিকেটার পোলার্ড, আন্ডাররেটেড কারা?
বাংলাদেশ ফুটবল / ছেলেদের চ্যাম্পিয়ন সিলেট, মেয়েদের রংপুর
টপ ট্রেন্ডিং সাকিব আল হাসান/ তামিম ইকবাল/ মুশফিকুর রহিম/ বিরাট কোহলি/ বাবর আজম/ মেসি/ নেইমার/ রোনালদো/ ব্রাজিল/ আর্জেন্টিনা/ রিয়াল মাদ্রিদ/ বার্সেলোনা/ পিএসজি