ক্রিকেট > আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

বিশ্বকাপে ভারতকে উড়িয়ে দেওয়ার অনুভূতি জানালেন বাবর আজম

নিউজ ডেস্ক

১ জানুয়ারী ২০২২, সকাল ৭:৫২ সময়

[ 87652139 ]
ছবি - সংগৃহীত
বিশ্বকাপে কখনই ভারতকে হারাতে পারেনি পাকিস্তান, এমন পরিসংখ্যানকে সঙ্গী করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ভিরাট কোহলিদের মুখোমুখি হয় বাবর আজমরা। অতীতের আক্ষেপের গল্পের ইতি টেনে এবার শুধু জয়ই তুলে নেয়নি পাকিস্তান, বাবরদের কাছে রীতিমতো বিপর্যস্ত হয়েছে ভারত। আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে আগে ব্যাট করে শাহিন শাহ আফ্রিদির পেস সামলে ১৫১ রানের সংগ্রহ পেয়েছিল ভারত, ৪ ওভারে ৩১ রান খরচায় তুলে নিয়েছিলেন রোহিত শর্মা, লোকেশ রাহুলদের। জবাব দিতে নেমে ভারতকে কোন সুযোগই দেননি পাকিস্তানের দুই ওপেনার মোহাম্মদ রিজওয়ান ও অধিনায়ক বাবর আজম। দুজনের হার না মানা জুটিতে কোন উইকেট না হারিয়েই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পাকিস্তান, জয় আসে ১০ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে। মোহাম্মদ রিজওয়ান ৭৯ ও বাবর আজম ৬৮ রানে অপরাজিত থাকেন, অবস্মরণীয় সেই সেই জয়ের পর কেটে গেছে প্রায় ২ মাস সময়। সেই জয় নিয়ে এতদিন পর নিজের প্রতিক্রিয়া জানালেন বাবর আজম, তার মতে এই অনুভূতি ভাষায় বুঝানো সম্ভব নয়। ভারতের বিপক্ষে সেই জয় প্রসঙ্গে বাবর আজম বলেন, “আমি সেই মূহূর্তটা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। আমরা অতীত রেকর্ড নিয়ে ভাবছি না, আমরা বর্তমান পারফর্মেন্স নিয়েই বেশি চিন্তিত। যেভাবে আমরা শুরু ও শেষ করেছিলাম, যে পরিবেশ, উন্মাদনা তৈরি হয়েছিল তা এক কথায় অসাধারণ।” সমর্থকদের অনুভূতিও বুঝতে পেরেছিলেন পাকিস্তানের এই অধিনায়ক, “সমর্থকদের প্রতিক্রিয়াও ছিল অনবদ্য, ভারতের বিরুদ্ধে ওই ম্যাচের আগে বিশ্বকাপে আমাদের দেশ কোনও জয় পায়নি। আল্লাহ আমাদের সহায়তা করেছে, সেই পরিসংখ্যান বদলাতে।” শাহিন শাহ আফ্রিদির দুর্দান্ত বোলিংয়ের পর মোহাম্মদ রিজওয়ান ও বাবর আজমের ব্যাটেই বিশাল জয় নিশ্চিত হয় পাকিস্তানের। যে কারণে একক কাউকে কৃতিত্ব দিতে চান না বাবর, “এটা দলগত ব্যাপার ছিল। আমাদের নিজেদের প্রতি আস্থা ছিল। শুরু নয় বরং আপনি কী ভাবে শেষ করছেন, সেটা গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি আরও বলেন, "আমরা যেভাবে বছরটা শেষ করেছি তা খুব উল্লেখযোগ্য। প্রতি ম্যাচেই আমাদের আলাদা আলাদা ম্যাচের সেরা হওয়ার যোগ্য ক্রিকেটার ছিল। হার থেকে আমরা শিক্ষা নিয়ে প্রতিদিন উন্নতি করার চেষ্টা করছি।” সুপার টুয়েলভ পর্বে দুর্দান্ত ক্রিকেটই খেলেছে বাবর আজমরা, একমাত্র দল হিসেবে অপরাজিত থেকে সেমিফাইনালে উঠেছিল পাকিস্তান। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল ৫ ম্যাচে আলাদা ৫ ক্রিকেটার জিতেছিলেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার, অর্থাৎ একক কারো উপর নির্ভর করতে হয়নি তাদের, তবে সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয় পাকিস্তানের।