ফুটবল > বাংলাদেশ ফুটবল

আর্মি স্টেডিয়াম নিয়ে জটিলতা, ঘোষণা দিলেও চূড়ান্ত অনুমোদন পায়নি বাফুফে

নিউজ ডেস্ক

৩১ জানুয়ারী ২০২২, দুপুর ২:১২ সময়

[ img-20211130-wa0037-2 ]
এবারের প্রিমিয়ার লিগের ভেন্যু নিয়ে নাটকীয়তার যেন শেষ নেই। পেশাদার লিগ কমিটি ঘোষণা দিয়েছিল লিগ আয়োজিত হবে সাতটি ভেন্যুতে। কিন্তু করোনার ঊর্ধ্বগতির কারণে গত শনিবার ঘোষণা আসে, ভেন্যু কমিয়ে তা চারটিতে নিয়ে আসা হয়েছে। এদের মধ্যে অন্যতম একটি ছিল আর্মি স্টেডিয়াম। বাকি তিন ভেন্যু হলো, বসুন্ধরা কিংস এরেনা, টঙ্গীর আহসানুল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়াম ও মুন্সিগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মতিউর রহমান স্টেডিয়াম। তবে আজ সোমবার বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ জানালেন, আর্মি স্টেডিয়াম নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। কর্তৃপক্ষ থেকে এখনো আসেনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। স্টেডিয়ামটিএ কর্তৃপক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৪-৫ মাসের জন্য তারা মাঠ ছাড়তে রাজি নয়। তবে ২-৩ মাসের জন্য হলে তারা এটা নিয়ে কাজ করবে এবং হয়তো রাজি হতে পারে। তবে আজ রাতেই লিগের ফিক্সার ক্লাবগুলোর কাছে পাঠিয়ে দিবে বাফুফে। সেখানে আর্মি স্টেডিয়ামকে বাদ রেখে বাকি তিন ভেন্যু নিয়ে ফিক্সার প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানান আবু নাইম সোহাগ। "আর্মি স্টেডিয়ামের সাথে আমাদের একাধিকবার কথা হয়েছে খেলা আয়োজনের ব্যাপারে। আগামী মে বা জুন মাস পর্যন্ত সপ্তাহে নূন্যতম ২ দিন আর্মি স্টেডিয়ামে খেলা আয়োজন করতে পারি কিনা সে ব্যাপারে এখনোও তাদের সাথে আমাদের ফলপ্রসু আলোচনা চলছে। তাদের থেকে একটা ফিডব্যাক পেয়েছি এমন, যে ওখানে (আর্মি স্টেডিয়াম) ৪-৫ মাস খেলা চালানো মানে সেটা লম্বা সময়। সেক্ষেত্রে সময়টা যদি কমিয়ে মাস দু'য়েক করা যায় সেটা হলে তারা পজিটিভ চিন্তা ভাবনা করবে। আমরা ভাবছি যদি মাস দু'য়েক সময়ের জন্য আমরা মাঠটা পাই তাহলে আমাদের কিছু খেলা ওখানে দিলে বাকি ৩টা মাঠের উপর চাপ কমে যাবে।" তিন ভেন্যুতেই আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে মাঠে গড়াচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ। তবে লিগ চলমান অবস্থায় যদি আর্মি স্টেডিয়াম থেকে অনুমতি পত্র আসে তবে, লিগ কমিটির জরুরি সভায় ম্যাচের ভেন্যু পরিবর্তন করা হবে বলে জানান আবু নাইম সোহাগ। আর্মি স্টেডিয়ামে বড় সমস্যা হচ্ছে সেখানে খেলতে হলে বিদেশি ফুটবলারদের জন্য লাগে বিভিন্ন অনুমতি পত্র। এছাড়া তাদের নিজস্ব কিছু নিয়ম-নীতি রয়েছে সেগুলাও অনুসরণ করতে হয়। এদিকে অধিকাংশ ক্লাবই চায় টঙ্গীর আহসানুল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়ামে খেলতে। কেননা যাতায়াত ও সব কিছু মিলিয়ে এটা সুবিধাজনক। কিন্তু এই মাঠে আর্চাররা নিয়মিত অনুশীলন করে থাকে। এখন সপ্তাহে দুই-তিনটা ম্যাচ আয়োজন করলে অন্যান্য ফেডারেশনের সমস্যা হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে আবু নাইম সোহাগ বলেন, "সরকারের ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে লিখিত বরাদ্দ পত্র রয়েছে। অর্থাৎ বাফুফে টঙ্গি বা মুন্সীগঞ্জ যেখানেই জুলাই- আগষ্ট মাস পর্যন্ত খেলা আয়োজন করি না কেন আমাদের বরাদ্দ পত্র আছে। বরাদ্দ পত্রে এটাও বলা আছে যদি অন্য কোন ডিসিপ্লিনের খেলা থাকে তবে তাদের সাথে সমন্বয় করে খেলাগুলো চালিয়ে যাবো। এসব ব্যাপার আমাদের কোন সমস্যা নাই, সবার সাথে সমন্বয় করেই খেলা এগিয়ে নিয়ে যাবো। আমরা যদি আসলে শুধু ৩ মাঠে খেলি তাহলে দেখা যাবে সপ্তাহে ২ দিন অন্তত টঙ্গীতে খেলা পড়বে। আমরা শুধু খেলার দিনই মাঠে যাবো, বাকি অন্যান্য দিন অন্যান্য ফেডারেশন তাদের কাজ চালিয়ে যাবে।"