ফুটবল > আন্তর্জাতিক ফুটবল

মিশরকে সেমিফাইনালে তুললেন সালাহ

নিউজ ডেস্ক

৩০ জানুয়ারী ২০২২, রাত ৯:৪ সময়

[ 20220131_002502 ]
ছবিঃ টুইটার
আগের ম্যাচেই আইভরি কোস্টের রক্ষণে আক্রমণের পসরা সাজিয়েও গোলের দেখা পায়নি মিশর। যদিও, টাইব্রেকারে শেষ ষোলোর বাধা অতিক্রম করে দলটি। কোয়ার্টার ফাইনালেও শুরুতেই পিছিয়ে পড়ছিল তারা। কিন্তু, এবার ভাগ্যে খুলেছে মোহাম্মদ সালাহর। দলের সেরা তারকা দারুণ নৈপুণ্যে মরক্কোকে হারিয়ে আসরের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে প্রতিযোগিতার সবচেয়ে সফলতম দলটি। আজ (রোববার) আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের শেষ আটের লড়াইয়ে আসরাফ হাকিমির মরক্কোকে ২-১ গোলে হারিয়েছে মিশর। আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর- পূর্ব কোণে ও এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে অবস্থিত দেশটির জয়ে পার্থক্য গড়ে দিয়েছেন ফর্মের তুঙ্গে থাকা মোহাম্মদ সালাহ। [caption id="attachment_64384" align="aligncenter" width="2048"] ছবিঃ টুইটার[/caption] শুরুতে মরক্কোর সোফিয়ান বোফালের গোলে পিছিয়ে পড়লে মিশরকে সমতায় ফেরান সালাহ। অতিরিক্ত সময়ে লিভারপুল ফরোয়ার্ডের পাস থেকে দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে জয় এনে দেন ত্রেজেগে। এই নিয়ে আফ্রিকা মহাদেশের সেরা হওয়ার লড়াইয়ে সবচেয়ে বেশি সেমিফাইনাল খেলার নিজেদের রেকর্ড আরও সমৃদ্ধ করেছে মিশর। প্রতিযোগিতায় রেকর্ড ১৬তম বার সেমিফাইনাল নিশ্চিত করলো দলটি। সবমিলে আফ্রিকা কাপ নেশন্সে সর্বশেষ ছয় আসরে পঞ্চমবারে মতো শেষ চারে উঠলো তারা, যার মধ্যে ২০০৬, ২০০৮ ও ২০১০ সালে টানা তিনবার চ্যাম্পিয়নও হয়েছে দলটি। স্ট্যাদে আহমাদউ আহিদজো স্টোডিয়ামে এদিন বল দখলের লড়াইয়ে এগিয়ে ছিল মিশর। গোটা ম্যাচের প্রায় ৫৫ শতাংশ বল নিজেদের পায়ে রাখে দলটি। তবে গোলমুখে শট নেওয়ার ক্ষেত্রে দাপট ছিল মরক্কো। পুরো ম্যাচে ১৬ শট নিয়ে ৪টি লক্ষ্যে রাখে আসরাফ হাকিমিরা। বিপরীতে মোহাম্মদ সালাহরা ১৪ শটের মধ্যে ৫টি লক্ষ্যে রাখতে পারে। আক্রমণ প্রতি আক্রমণের ম্যাচে শুরুতেই এগিয়ে যায় মরক্কো। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই স্পটকিকে গোল করে হাকিমিদের এগিয়ে দেন ফরাসি ক্লাব অ্যাঞ্জার্সে খেলা সোফিয়ান বোফাল। প্রথমার্ধে অনেক চেষ্টা করেও আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি মিশর। প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় মরক্কো। [caption id="attachment_64385" align="aligncenter" width="2048"] ছবিঃ টুইটার[/caption] সমতায় ফিরতে মরিয়া মিশর বিরতির পর আক্রমণের ধার বাড়ায়। অবশেষে ৫৩তম মিনিটে অপেক্ষা ফুরায় দলটির। দারুণ এক গোলে মিশরকে সমতায় ফেরান মোহাম্মদ সালাহ। নির্ধারিত সময়ের খেলা সমতায় শেষ হলে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। আর সেখানেই বাজিমাত করে ফেলে মিশর। ১০০তম মিনিটে কার্লোস কুইরোজের দলে হয়ে গোল করে মিশরীয়দের উল্লাসে মাতান ত্রেজেগে। ম্যাচের বাকি সময় আর কোন গোল না হলে অ্যাস্টন ভিলা তারকার গোলেই মিশর সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলে।