ফুটবল > বাংলাদেশ ফুটবল

নিয়মিত মাঠে গড়িয়েছে লিগ, এতেই সন্তুষ্ট কাজী সালাউদ্দিন

নিউজ ডেস্ক

৩০ জানুয়ারী ২০২২, দুপুর ১:২৬ সময়

[ img-20220130-wa0033 ]
২০০৭ সালে প্রিমিয়ার লিগ নামকরণের পর থেকে প্রতিবছরই মাঠে গড়িয়েছে ঘরোয়া ফুটবলের শীর্ষ প্রতিযোগিতাটি। মাঠে গড়িয়েও করোনা ভাইরাসের কারণে ২০১৯-২০ মৌসুম স্থগিত রাখতে বাধ্য হয় বাফুফে। তবে এর আগে নিয়মিত ছিল না দেশের শীর্ষ পর্যায়ের এই লিগ। এক মৌসুম মাঠে গড়াতো তো আরেক মৌসুম বন্ধ থাকতো লিগ। এতে বিপাকে পড়তো ফুটবলাররা। খেলা নেই, আয়ের উৎস নেই। জীবন চালাতেই কঠিন হয়ে যেত ফুটবলারদের। ২০০৮ সালে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতির দায়িত্ব দেন কাজী মোঃ সালাউদ্দিন। দেশের সাবেক ও কিংবদন্তি ফুটবলার বাফুফের দায়িত্ব নেওয়ার পর এক মৌসুমও লিগ স্থগিত থাকেনি। এটাই নাকি তার অন্যতম সফলতা। ২০২১-২২ মৌসুমের প্রিমিয়ার লিগের লোগো উন্মোচন অনুষ্ঠানে এসে তাই সন্তুষ্টি ঝরলো বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের কণ্ঠে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, "আমি যখন ২০০৮ সালে প্রথম নির্বাচন করে আসি, তখন কিছু টুর্নামেন্ট দুই-এক বছর বন্ধ ছিল। সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল, লিগই ছিল না! পেছনের দশ বছরে দুবার লিগ হতো, একবার হতো না। আমি শুনেছি খেলোয়াড়রা লিগ হয় না বলে মিছিল করেছে, হরতাল করেছে খেলার জন্য।" গত ১২ বছর বাফুফের দায়িত্ব পালনের পর কাজী সালাউদ্দিন একটি পার্থক্যই চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছেন। "আমার প্রথম কথা ছিল, আমি কী করতে পারবো জানি না, কিন্তু আমার যেটা ক্ষমতা আছে, আমি প্রতিবছর মাঠে ফুটবল রাখবো। সর্বশেষ ১২ বছরে কোনো মৌসুমেই লিগই বাতিল হয়নি। এমনকি করোনার মধ্যে যখন সবকিছু বন্ধ ছিল, তখনও লিগ করেছি, যেন খেলোয়াড়রা আয় করে তাদের পরিবার চালাতে পারে। পার্থক্য হলো এর আগে খেলা অনিয়মিত ছিল, এখন নিয়মিত হচ্ছে।" এদিকে পেশাদার লিগ কমিটির চেয়ারম্যান ও বাফুফের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী বলছেন, এবারের লিগ হবে জম-জমাট ও প্রতিদ্বন্দ্বীপূর্ণ। কেনোনা সব দলেই আছে উন্নতমানের বিদেশি ফুটবলার। "আমার কাছে মনে হয়েছে, ক্লাবগুলোর বিদেশি খেলোয়াড় নেওয়া এবার অনেক ভালো হয়েছে। ক্লাবগুলো আন্তর্জাতিক মানের এজেন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভালো মানের খেলোয়াড় এনেছে। দেশি খেলোয়াড়রা তাদের সঙ্গে খেলে নিজেদের খেলার মান আরও উন্নতি করতে পারবে বলে আমি আশা করি। আমার মনে হয়, এবার চ্যাম্পিয়নশিপ লড়াই জমজমাট হবে।" আফ্রিকান চাহিদা থেকে বের হয়ে এসে ক্লাব গুলো ঝুকছে লাতিন, ইউরোপ বা মধ্য এশিয়ার দেশ গুলোর ফুটবলারদের পিছনে। সেই সুবাদে বাংলাদেশের ক্লাবগুলো পেয়েছে রবসন রবিনহো, জোনাথন ফার্নান্দেজ, ড্যানিয়েল কলিন্ড্রেস, রাফায়েল অগোস্তো, ডরিয়েল্টন, সোলেমান কিং, আদিল কুশকুশদের মত ফুটবলারদের।