ফুটবল > আন্তর্জাতিক ফুটবল

সেনেগালের হয়ে শিরোপা জয়, মানের জীবনের সেরা দিন, সেরা অর্জন

নিউজ ডেস্ক

৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২, সকাল ৭:৩৬ সময়

[ sadio-mane-080222-01 ]
ছবিঃ ইন্টারনেট
২০০২ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেই বড় অঘটন ঘটিয়ে দিয়েছিলো সেনেগাল। গ্রুপপর্বের ম্যাচে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন থিয়েরি অঁরি ও জিনেদিন জিদানের ফ্রান্সকে হারিয়ে দিয়েছিল তেরেঙ্গার সিংহরা৷ নয়া শতাব্দীর গোড়াপত্তনে শুরুতেই সেনেগালের ঐতিহাসিক সেই জয়ের সময় সাদিও মানের বয়স ছিলো মাত্র দশ বছর। মূলত, তারপর থেকেই বড় ফুটবলার তীব্র ইচ্ছে জেগেছিল সাদিও মানের। এরপর নানা সংগ্রামের পথ পাড়ি দিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সেদিনকার সেই দশ বছর বয়সী ছোট্ট কিশোরই আজকের লিভারপুল তারকা বর্তমান ফুটবলের অন্যতম সেরা অ্যাটাকার। [caption id="attachment_65295" align="aligncenter" width="640"] ছবিঃ ইন্টারনেট[/caption] সেনেগাল ছেড়ে অল্প বয়সেই ইউরোপে পাড়ি জমানো পর ক্যারিয়ারে অসংখ্য শিরোপা জিতেছেন সাদিও মানে। লিভারপুলের তিন দশকের আক্ষেপ ঘুচানো প্রিমিয়ার লিগ জয়ে কিংবা ‘অল ইংলিশ ফাইনাল’-এ টটেনহ্যামকে হারিয়ে অলরেডদের ষষ্ঠ চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়- সবকিছুতেই সেনেগাল তারকার অবদান লেখা থাকবে স্বর্ণাক্ষরে। তবে ক্লাব ক্যারিয়ারে যত শিরোপা-ই জিতুক, সাদিও মানেকে এবারের আফ্রিকা কাপ অব নেশন্স জয়ের মতো শান্তি আর কিছুই দিতে পারেনি। গত (রোববার) আফ্রিকা মহাদেশের সেরা হওয়ার লড়াইয়ে ক্লাব সতীর্থ মোহাম্মদ সালাহর মিশরকে হারিয়ে প্রথমবার সেরার মুকুট পরে সেনেগাল। বর্ণাঢ্য ফুটবল ক্যারিয়ারে এই অর্জনকেই সেরা মানেন লিভারপুলের ফরোয়ার্ড। দেশের হয়ে ইউরোপ সেরার শিরোপা জেতানো ঐতিহাসিক দিনটি নিজের জীবনের সেরা বলে জানান মানে। সেনেগালকে শ্রেষ্ঠত্বে আসনে বসিয়ে উচ্ছ্বসিত লিভারপুল তারকা জানান, “এটা আমার জীবনের সেরা দিন এবং আমার ক্যারিয়ারের সেরা ট্রফি।” [caption id="attachment_65173" align="aligncenter" width="640"] ছবিঃ ইন্টারনেট[/caption] “আমি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও আরও কয়েকটি ট্রফি জিতেছি। কিন্তু এটি (আফ্রিকান নেশন্স কাপ) আমার কাছে বিশেষ কিছু। এটি আমার জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ। নিজের জন্য, আমার দেশের মানুষের জন্য এবং আমার পরিবারের সবার জন্য আমি খুশি।” আফ্রিকা কাপ অব নেশন্স জয়ে সেনেগালের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন সাদিও মানে। আসরের ফাইনালে মিশরের বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করলে টাইব্রেকারেই সফল স্পটকিক নিয়ে ২৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডই দেশটির শিরোপা নিশ্চিত করেন। তাছাড়া, আসরে নিজে তিন গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়েও আরও ৩ গোল করিয়েছেন। যার ফলে টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও পেয়েছেন তারকা এই ফরোয়ার্ড।