ফুটবল > আন্তর্জাতিক ফুটবল

‘শুধু ইউক্রেন নয়, ফিলিস্তিন-ইরাক-সিরিয়ার জন্যও দোয়া করতে বললেন ওজিল’

যুদ্ধরত বিশ্বের সকল দেশের জন্যেই প্রার্থনা করতে বললেন জার্মানির কিংবদন্তি এই মিডফিল্ডার। 

ডেস্ক রিপোর্ট

৮ এপ্রিল ২০২২, রাত ৯:৫৯ সময়

[ Ozil_2.jpg ]
সংগৃহীত

ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার পশ্চিমা বিশ্ব। পশ্চিমের সব মিডিয়াতে রীতিমতো ধুয়ে ফেলা হচ্ছে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও তার বাহিনীকে। অথচ এই দেশগুলো মধ্যপ্রাচ্যে ফিলিস্তিন, ইরাক, আফগানিস্তান, লিবিয়া যুদ্ধের ক্ষেত্রে চোখে যেন ‘টিনের চশমা’ পরে থাকে। 

ইউক্রেন ইস্যু গোটা বিশ্বকে যেন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে, পশ্চিমা বিশ্বের ‘দ্বিচারিতা’। যেখানে পিছিয়ে নেই পশ্চিমা প্রভাবিত ফিফাও। ইতোমধ্যেই, ইউক্রেন হামলার জেরে সবধরনের ফুটবল থেকে রাশিয়াকে নিষিদ্ধ করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা। 

অথচ, বিশ্বের নাকের ডগায় ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের আগ্রাসনে চুপটি মেরে থাকে তারা। এমনকি, ইউরোপিয়ান ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা উয়েফা স্টোডিয়ামে ফিলিস্তিনের পতাকা উড়ানোয় আয়ারল্যান্ডের ক্লাব ডানডাল্ককে জরিমানা করেছেন। 

পশ্চিমা বিশ্বের এমন দুমুখো নীতি সম্ভবত মানতে পারছেন না জার্মানির সাবেক মিডফিল্ডার মেসুত ওজিল। সরাসরি না বললেও পশ্চিমা নীতির বিপরীত কথা বলেছেন ৩৩ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার। 

বর্তমানে তুরস্কের ফেনারবাচে খেলা এই তারকা মনে করেন, শুধু ইউক্রেন নয়; ফিলিস্তিন, ইরাক, সিরিয়া ও ইয়েমেনসহ বিশ্বের যেসকল দেশ যুদ্ধে আক্রান্ত হয়েছে তাদের জন্যেও যেন প্রার্থনা করা হয়।

নিজের টুইটার পাতায় এমন কথা বলেন তিনি। নিজের একটি ভিডিও শেয়ার করে রিয়াল মাদ্রিদ ও আর্সেনালে খেলা তারকা এই মিডফিল্ডার ক্যাপশনে লিখেছেন,

আসুন গোটা দুনিয়ার শান্তির জন্য দোয়া করি। শুধুই ইউক্রেন নয়; ফিলিস্তিন, ইরাক, সিরিয়া ও ইয়েমেনসহ পৃথিবীর যে দেশ যুদ্ধে ভুগছে তাদের জন্যও দোয়া করি।

বিশ্ব ফুটবলে পরিশ্রমী খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত মেসুত ওজিল। তবে, ২০১৮ সালে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেফ তাইয়্যেব এরদোয়ানের সঙ্গে একটি ছবি নিয়ে জার্মানিতে প্রচন্ড সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। পরে অপমান সইতে না পেরে অনেকটা ক্ষোভে জাতীয় দল থেকে অবসরই নেন বিশ্বকাপজয়ী এই মিডফিল্ডার।