ফুটবল > ক্লাব ফুটবল

‘মেসি ও বার্সার প্রেমের উপাখ্যান ফুরিয়ে যায়নি এখনও’

মেসির কাছে আজীবন ঋণী থাকব- বার্সা প্রেসিডেন্ট

ডেস্ক রিপোর্ট

২৪ জুলাই ২০২২, দুপুর ৪:৪৭ সময়

[ 20220724_164215.jpg ]

দেড় দশকের বেশি সময় লিওনেল মেসি ছিলেন বার্সেলোনা অবিচ্ছেদ্য অংশ। সেই কিশোর বয়সেই নিজ দেশ আর্জেন্টিনা ছেড়ে বার্সেলোনায় যোগ দিয়েছিলেন সাতবারের বর্ষসেরা ফুটবলার। পেশাদার ফুটবল জীবনের নিজের সেরা সময়ের প্রায় পুরোটাই তাঁর কেটেছে স্প্যানিশ ক্লাবটিতে।

কাতালানদের হয়ে ১০টি লা লিগা, চারটি ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ও ছয়টি কোপা দেলরেসহ মোট ৩৩টি শিরোপা জিতেছেন ফুটবলের এই মহাতারকা।

বর্নাট্য ক্যারিয়ারে কাতালানদের দু'হাত ভরেই সাফল্যে এনে দিয়েছেন যিনি; তাঁরই ন্যু ক্যাম্প ছেড়ে বিদায়টা হলো বিশ্রীভাবে। লা লিগার অর্থনৈতিক ভেড়াজালে পড়ে ভেজা চোখে ছেলেবেলার ক্লাবকে বিদায় জানান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। যোগ দেন ফরাসি ক্লাব পিএসজিতে।

তবে, চোখের জলে বার্সাকে বিদায় বললেও কাতালান ক্লাবটির সঙ্গে এখনও আর্জেন্টাইন অধিনায়কের প্রেমের অমর উপাখ্যান ফুরিয়ে যায়নি। সাতবারের বর্ষসেরা এই ফুটবলারের সঙ্গে ক্লাবের অধ্যায় এখন চুকে যায়নি বলে জানিয়েছেন বার্সেলোনা প্রেসিডেন্ট।

আজ (রোববার) যুক্তরাষ্ট্রের লা ভেগাসে ‘এল ক্লাসিকো’য় রিয়ালকে হারানোর আগে মেসিকে নিয়েও কথা বলেন হুয়ান লাপোর্তা। বার্সা প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, বার্সেলোনা শেষ হয়ে যায়নি মেসি অধ্যায়। ইএসপিএন কে লাপোর্তা বলেন,

“মেসি বার্সেলোনার জন্য কী না করেছে! দুর্দান্ত পারফর্ম করে সে ইতিহাসের সেরা হয়ে গেছে। তার তুলনা চলে কেবল ইয়োহান ক্রুইফের সঙ্গে। আমি বাজে আর্থিক পরিস্থিতিতে ক্লাবের দায়িত্ব নিয়েছিলাম। তাই জানতাম এমন কিছু একটা হবেই।”

“বার্সেলোনায় মেসির অবস্থান অন্যান্য খেলোয়াড় এবং কোচের চেয়ে অনেক ওপরে। আমার বিশ্বাস, এখানে মেসির অধ্যায় এখনও শেষ হয়ে যায়নি। এই ক্লাবে যেন মেসির দরজা বন্ধ না হয় সেটা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। যেভাবে ওর অধ্যায় শেষ হয়েছে বলে মনে হচ্ছে, তার চেয়ে যেন ভালো হয়।”

বার্সেলোনার হয়ে মেসির অবিশ্বাস্য সব অর্জনের স্বীকৃতি দিতেও কার্পণ্য করেনি হুয়ান লাপোর্তা। তাই, কাতালানদের প্রেসিডেন্ট অকপটেই মেসির কাছে ঋণী থাকার কথা স্বীকার করেন।

“মেসির কাছে আমি ঋণী কিনা? হ্যাঁ! মানসিকভাবে আমরা তার কাছে ঋণী। হ্যাঁ, বার্সেলোনার সভাপতি হিসেবে আমাকে যা করার তা করতে হয়েছে। আর বার্সার সভাপতি হিসেবেই ব্যক্তিগতভাবে আমি তার কাছে ঋণী।”