ক্রিকেট > আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

ওয়াকার ইউনুসের সঙ্গে ‘মারামারি’ করার ঘটনা অস্বীকার করলেন শেহজাদ!

‘ওয়াকার ইউনুসকে মেরেছি, তিনিও আমাকে মেরেছেন’- এমন কোন ঘটনা ঘটেইনি, দাবি পাক ওপেনারের।

ডেস্ক রিপোর্ট

২৯ জুলাই ২০২২, সকাল ৯:৪৬ সময়

[ Ahmed-Shehzad-on-Waqar-Younis.jpg ]

পাকিস্তানের হয়ে বেশকিছু বছর ওপেনিংয়ে খেলেছেন আহমেদ শেহজাদ। একটা সময় বাঁহাতি এই ব্যাটারকে ভারতের বিরাট কোহলির সঙ্গেও তুলনা করা হতো। কিন্তু, নানা কারণেই দলটির হয়ে বেশিদিন খেলে যেতে পারেননি। সর্বশেষ ২০১৯ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি- টোয়েন্টি খেলেছিলেন ৩০ বছর বয়সী এই ওপেনার।

গত কয়েক বছর ধরেই পাকিস্তান ক্রিকেট থেকে প্রায় ভুলতে যাওয়া আহমেদ শেহজাদ ফের আলোচনায় এসেছেন। না। ক্রিকেটীয় পারফরম্যান্স করে নয়; সম্প্রতি পাকিস্তানের একটি টিভি আলোচনায় স্বদেশী কিংবদন্তি শহীদ আফ্রিদির সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে গণমাধ্যম খবরে এসেছেন তিনি। পাকিস্তানের সাবেক তারকা অলরাউন্ডারের সঙ্গে তাঁর বাকবিতণ্ডার একটি ভিডিও ক্লিপও ভাইরাল হয়েছে।

গত মাসে আহমেদ শেহজাদের বিষয়ে পাকিস্তানের সাবেক কোচ ওয়াকার ইউসুস পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে (পিসিবি) একটি প্রতিবেদন দিয়েছিলেন। সেই প্রতিবেদনে কিংবদন্তি এই বোলার নাকি শেহজাদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ আনেন।

পাকিস্তানের বেশকিছু সংবাদমাধ্যম খবর করেছিলো, ওয়াকার ইউনুসে সঙ্গে নাকি ঝামেলায় জড়িয়েছিলেন তিনি। এমনকি, প্রধান কোচের সঙ্গে শেহজাদ মারামারি করেছে, এমন খবরও শিরোনাম হয়েছিলো তখন।

শহিদ আফ্রিদির সঙ্গে বিতর্কে জড়ানো সামা টিভির সেই আলোচনায় বিষয়টিও উঠে আসে। আহমেদ শেহজাদ প্রধান কোচের সঙ্গে মারামারির ঘটনা পুরোটাই অস্বীকার করেছেন। পাক ওপেনার জানান, তাদের মধ্যে এমন কোন ঘটনা ঘটেইনি। 

“আমি আমার বিষয়ে অনেক কিছু শুনেছি। আমাকে সংবাদমাধ্যমের সেই সব খবরে কান না দিয়ে শুধু ক্রিকেটে মনোযোগ দিতে বলা হয়েছিল। আমারও শুধু একটাই লক্ষ্য ছিল, দেশকে গর্বিত করা। আমি শৃঙ্খলা ভঙ্গ করার মতো কোনো ঘটনা ঘটাইনি।”

“আমার সম্পর্কে কিছুই গোপন রাখা হয়নি। সংবাদমাধ্যমই এটা নিশ্চিত করেছে। আমাকে নিয়ে এমনও শিরোনাম হয়েছে যে আমি ওয়াকার ইউনুসকে মেরেছি, তিনিও আমাকে মেরেছেন।”

এসময় আহমেদ শেহজাদ ওয়াকার ইউনুসের সেই প্রতিবেদনটি প্রকাশ্যে আনার কথাও জানান। দলের সবার সঙ্গেই সুসম্পর্ক থাকার কথা জানান ৩০ বছর বয়সী এই ওপেনার।

“আমি যদি কখনো ড্রেসিংরুমের পরিবেশ নষ্ট করে থাকি, মানুষের সেটা জানা উচিত। ড্রেসিংরুমে সব সময়ই আমার সতেজ ও সরব উপস্থিতি ছিল। আমি সব সময়ই দলকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। আপনি শিরোনাম তৈরি করবেন কি না, সেটা আপনার ওপরই নির্ভর করে।”