ক্রিকেট > বাংলাদেশের ক্রিকেট

‘ধবলধোলাই’ এড়াতে বাংলাদেশের পুঁজি ২৫৬

শেষ ওয়ানডে ম্যাচে মান বাঁচাতে জিম্বাবুয়েকে ২৫৭ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে টাইগাররা।

ডেস্ক রিপোর্ট

১০ আগস্ট ২০২২, বিকাল ৫:১৯ সময়

[ 20220810_171257.jpg ]

এই সিরিজের আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সবশেষ টানা ১৯ ওয়ানডে ম্যাচ জিতেছিলো বাংলাদেশ। টাইগারদের বিপক্ষে এই সময়ে একটি ওয়ানডে ম্যাচ জয় যেন ‘সোনার হরিণ’ হয়ে উঠেছিলো সিকান্দার রাজাদের। 

টি-টোয়েন্টির সীমাহীন ব্যর্থতা ভুলে তাই ওয়ানডে ক্রিকেটেই ঘুরে দাঁড়াবে বাংলাদেশ এমনটাই ভাবনা ছিলো। কিন্তু, হলো ঠিক তার উল্টোটা। টানা প্রথম দুই ম্যাচ জিতেই ওয়ানডে সিরিজও নিশ্চিত করে ফেলেছে জিম্বাবুয়ে। রঙ্গিন পোষাকে এখন নিজেদের ৪০০তম ওয়ানডে ম্যাচে ‘ধবলধোলাই’ এড়াতে মাঠে নেমেছে তামিম ইকবালের দল। 

হারেরেতে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচেও টসে হেরে শুরুতেই ব্যাট করেছে বাংলাদেশ। তবে, প্রথম দুই ম্যাচ টপ অর্ডার ব্যাটাররা দারুণ রাঙ্গালেও শেষ ম্যাচে আলো ছড়াতে পারেনি তারা। তামিম-বিজয় এর সাবধানী শুরুতেও ‘ধবলধোলাই’ এড়ানোর ম্যাচে বেশিদূর যেতে পারেনি টাইগাররা।

চোটে কারণে জিম্বাবুয়ে দলে নেই নিয়মিত অধিনায়ক চাকাভা। তার জায়গায় দায়িত্ব পালন করছেন স্বপ্নের মতো ফর্মে থাকা সিকান্দার রাজা। রাজার নেত্তৃত্বেই স্বাগতিকদের আটসাট বোলিংয়ে কিছুটা সতর্ক শুরু করে বাংলাদেশ।

ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই রিচার্ড এনগারাভাকে চার মেরে শুরুটা করেন তামিম। তবে পরের ২ ওভারে বাউন্ডারি আসেনি একটিও। চতুর্থ ওভারে ভিক্টর নিয়াউচির বলে ফের হাতখুলেন তানিম। টানা দুই চারেই চার ওভারে তখন টাইগারদের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ২২ রান। 

তামিমের মতোই ধীরেসুস্থে খেলেন এনামুল হক বিজয়। সাবধানী শুরুতে ভালো এগুচ্ছিলো বাংলাদেশ। কিন্তু, নবম ওভারেই ছন্দপতন শুরু হয়। এনামুল হকের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউটে কাটা পড়লেন তামিম। ভেঙে যায় দুজনের ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি।

অধিনায়কের বিদায়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে টাইগাররা। ৮ বলের মধ্যেই দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দল। নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহীম দুজনেই ডাক মেরে প্যাভিলিয়নে ফিরেন। ৪৭ রানে নেই টাইগারদের ২ উইকেট। 

এরপর এনামুলকে নিয়ে বাংলাদেশের হাল ধরেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তবে, বিজয় আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ক্যারিয়ারের চতুর্থ অর্ধশতক করলেও রিয়াদের মন্থরগতির ব্যাটিংয়ে চাপ কাটিয়ে উঠতে পারেনি বাংলাদেশ। অভিজ্ঞ এই ব্যাটারের রক্ষণাত্মক ব্যাটিংয়ে নিজে হাত খুলতে গিয়ে বিপদে পড়েন বিজয়। ৭৬ রানেই থামে তিন বছর পর এই সিরিজে ফেরা ডানহাতি ওপেনার। 

আফিফ হোসাইন ধ্রুব এসে বিপর্যয় কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করেন। ৩৫তম ওভারে বিদায় নেন রিয়াদও। ৬৯ বল খেলে আউট হওয়ার আগে তিনি করেন ৩৯ রান, স্ট্রাইক রেট ৫৬.৫২। রিয়াদের বিদায়ের পর একাই লড়াই করেন আফিফ। শেষ দিকে তরুণ এই ব্যাটারের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত পঞ্চাশ ওভার শেষে টাইগাররা থামে ২৫৬ রানে। ৮১ বলে ২ ছয় ও ৬ চারে আফিফ ৮৫ রানে অপরাজিত থাকেন।