ক্রিকেট > বাংলাদেশের ক্রিকেট

শ্রীরামের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সাকিব শুরুটা করতে চান বাচ্চাদের মত

সামনে তিনটা ইভেন্ট। এশিয়া কাপ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ট্রাই নেশন সিরিজ, এই তিন ইভেন্টে শ্রীরামের অস্ট্রেলিয়াতে কাজ করবার অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে সবথেকে বেশি

ডেস্ক রিপোর্ট

২০ আগস্ট ২০২২, রাত ৮:৫৫ সময়

[ InShot_20220820_205433042.jpg ]

বাংলাদেশ দলের বর্তমান টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান গুলশানে একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। বিসিবি নতুন টেকনিক্যাল কোচ নিয়োগ দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়াতে কাজ করা ভারতীয় শ্রীরাম শ্রীধরকে। তবে রাতারাতি উনার অন্তর্ভুক্তিতে খুব বেশি উচ্ছসিত হয়ে অনেক বেশি আশা করছেন না অধিনায়ক সাকিব। তিনি বলেন, 

‘আমার মনে হয় না খুব বেশি কিছু আশা করার আছে এখানে। যেহেতু অস্ট্রেলিয়া দলের সঙ্গে পাঁচ-ছয় বছর ছিলেন, বিশ্বকাপও অস্ট্রেলিয়াতে। তাঁর অভিজ্ঞতাটা আমাদের কাজে লাগবে। এশিয়া কাপের আগে খুবই কম সময়, সেখানে কতটুকু কাজে আসবে বলা মুশকিল। 

আমাদের সবারই দায়িত্ব আছে যার যার জায়গা থেকে। কোচিং স্টাফ, সাপোর্ট স্টাফ থেকে শুরু করে বিসিবি, আপনারা—সবাই মিলে যদি কাজ করতে পারি, তাহলে ভালো একটা কিছু শুরু হবে।

সাকিবের কাছে কোন লক্ষ্য আছে কিনা সেটা নিয়েও ছিল প্রশ্ন। নিজেকে ভারমুক্ত রাখতেই কিনা সাকিব বেছে নিলেন রক্ষনাত্বক উত্তরই। তিনি বড় কোন লক্ষ্যের কথা স্বীকার করেননি গনমাধ্যমের সামনে। 

সাকিব বলেন, ‘আমার কোনো লক্ষ্য নেই। আমার লক্ষ্য হচ্ছে বিশ্বকাপে গিয়ে যাতে ভালো কিছু করতে পারি। আমি যদি মনে করি, এক দিনে আমি বা অন্য কেউ এসে বদলে দিতে পারবে, তাহলে আমি বোকার রাজ্যে বাস করছি। বাস্তবিক চিন্তা যদি করেন, আশা করা যায় তিন মাস পর বিশ্বকাপ খেলব, (সেখানে) দল হিসেবে যদি উন্নতি করতে পারি, সেটিই (প্রাপ্তি) হবে।’

তবে সাকিব শুরু করতে চান একেবারেই প্রথম থেকে। ঠিক যেমন বাচ্চারা অ আ ক খ শিখে, ঠিক তেমনি করেই তিনি কাজ করতে চান। সাকিব বলেন, ‘২০০৬ সালে বোধ হয় প্রথম (আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি) খেলেছি। এর পর থেকে (এ সংস্করণে) খুব একটা ভালো কিছু নেই আমাদের—শুধু একবার বোধ হয় এশিয়া কাপের ফাইনাল খেললাম। 

অনেক পিছিয়ে আছি। নতুন করে শুরু করা ছাড়া উপায় নেই। একটা বাচ্চা যখন হাঁটা শুরু করে, তখন তার প্রথম ধাপগুলো অনেক কঠিন হয়, পরে ধীরে ধীরে সহজ হয়ে আসে। আশা করি, আমরা বাচ্চার মতো “স্টেপ বাই স্টেপ” হাঁটা শুরু করতে পারব। আস্তে আস্তে আমরা এগোতে পারব।’