ক্রিকেট > বাংলাদেশের ক্রিকেট

সব ম্যাচ হেরে এশিয়া কাপ থেকে বিদায় বাংলাদেশের

স্পিনার মাহেদীর তিনটা নো বল এবং ইবাদতের নিয়ন্ত্রণহীন বোলিং ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছে বাংলাদেশকে

ডেস্ক রিপোর্ট

১ সেপ্টেম্বর ২০২২, রাত ১১:৫৮ সময়

[ 20220901_235707.jpg ]

এশিয়া কাপ থেকে বিদায় বাংলাদেশের। ১৮৩ রান করেও শ্রীলংকাকে আটকাতে পারেনি বাংলাদেশ। কথার লড়াইয়ে শিরোনাম হওয়া অধিনায়ক দাসুন সানাকা এবং কুশাল মেন্ডিস বাংলাদেশকে হারিয়ে দিয়েছে। অধিনায়কের ৩৩ বলে ৪৫ এবং মেন্ডিসের ৬০ রানের ইনিংস ম্যাচ থেকে পুরোপুরি ছিটকে দিয়েছে বাংলাদেশকে। 

বাংলাদেশ পাওয়ারপ্লে শেষ করেছিল ৫৫ রানে ১ উইকেটে। শ্রীলংকা সেখানে শেষ করেছে ৪৮ রানে ১ উইকেটে। কিন্তু এরপরে ম্যাচে পুরোপুরি বাংলাদেশের বোলারদের উপরে চেপে বসেন শ্রীলংকার ব্যাটসম্যানরা। কমপক্ষে চারবার আউট হবার সুযোগ থাকলেও জীবন পেয়ে ৩৭ বলে ৬০ রানের ইনিংস শ্রীলংকাকে আপারে রেখেছে প্রথম থেকেই। 

মাঝে গুনাথিলাকা কিংবা রাজাপাকশে, কাউকেই রান করতে দেইনি বাংলাদেশ। অভিষিক্ত ইবাদত প্রথম দুই ওভারে ৩ উইকেট নিলেও তৃতীয় ওভারে দিয়ে বসেন ২১ রান। ১৯ তম ওভারে সাকিব আবারো বল তুলে দেন ইবাদতকে। ১২ বলে ২৫ প্রয়োজন ছিল শ্রীলংকার। গুরুত্বপূর্ণ সেই ওভারে ইবাদত দেন ১৭ রান। শেষ ওভারে শ্রীলংকার দরকার মাত্র ৮ রান।

শেষ ওভারে অবশ্য সেই রান ডিফেন্ডই করতে পারেনি বাংলাদেশ। এশিয়া কাপ থেকে বিদায় নিতে হচ্ছে সাকিবের বাংলাদেশ দলকে। এর আগে পরিবর্তনের বার্তা দিয়ে দুই নিয়মিত ওপেনারকে 

একাদশে রাখেনি বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট। মেহেদী হাসান মিরাজ আর সাব্বির রহমানকে নামিয়ে দেওয়া হয় ওপেনিংয়ে। ৩ বছর পর জাতীয় দলে ফিরে সাব্বির প্রথম বলটা শুরু করলেন স্কুপ দিয়ে। টিপিক্যাল ভিনটেইজ সাব্বির যদিও খুব বেশিক্ষন টিকতে পারেননি, ফিরে যান এরপরই। 

কিন্তু মূল খোলাটা দেখান মেহেদী মিরাজ। ক্যারিয়ারের সর্ব্বোচ্চ টি-টোয়েন্টি ইনিংসের ম্যাচে মিরাজ যা করেছেন তা রীতিমতো অবিশ্বাস্য মনে হতেই পারে যে কারর কাছেই। ২৬ বলে ৩৮ রানের অনবদ্য ইনিংসের উপর ভর করে বাংলাদেশ পাওয়ারপ্লেতে করে ৫৫ রান।

প্রথমে ব্যাটে বলে কিছুটা সময় নিলেও মাত্রই ভয়ংকর হয়ে ওঠা সাকিব আল হাসান ২২ বলে ২৪ করে বোল্ড হন থিকসেনার বলে। এরপরই মুশফিকুর রহিম করুনারত্মের বাউন্স না বুঝতে পেরে ফিরে যান ৫ বলে ৪ রান করেই। 

এরপরই আফিফ আর মাহমুদউল্লাহর ব্যাটিংয়ে ভর করে বাংলাদেশ ভালো রান সংগ্রহের দিকে এগিয়ে যায়। ৩৩ বলে ৫১ রানের জুটি ব্যাকফুট থেকে লড়াইয়ে ফেরায় বাংলাদেশকে। ২২ বলে আফিফ হোসেনের ৩৯ রান ম্যাচে ফেরায় বাংলাদেশকে। 

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ২২ বলে ২৭ রানও দারুন সহযোগিতার করেছে বাংলাদেশকে। তবে রিয়াদ-আফিফ জুটিটা আরেকটু লম্বা হলে বাংলাদেশের রান আরেকটু বড় করতে পারতো। শেখ মাহেদী ফিরে যান মাত্র ২ বলে ১ রান করেই। 

মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ৯ বলে ২৪ এবং তাসকিনের ৬ বলে ১১ রান শেষ দিকে বাংলাদেশের রান নিয়ে যায় সুবিধাজনক অবস্থানে। বাংলাদেশ দল শেষ পর্যন্ত সংগ্রহ করতে পারে ১৮৩ রানের সংগ্রহ৷