ক্রিকেট > বাংলাদেশের ক্রিকেট

অদ্ভুত কারনে বিশ্বকাপ দলে নাজমুল হোসেন শান্ত

বিশ্বকাপ দলে রাখা হয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তকে। কিন্তু কেন সেই প্রশ্নের উত্তর নেই কারর কাছে!?

ডেস্ক রিপোর্ট

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, রাত ১:১৫ সময়

[ prothomalo-bangla_2022-09_af877acc-ca3c-44dc-b007-b44c638c5590_Shanto________1.jpg ]
ছবি- শামসুল হক ( প্রথম আলো)

নাজমুল হোসেন শান্তকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে অর্ন্তভুক্ত করাটাই সবথেকে বেশি আলোচিত হচ্ছে দল ঘোষনার পর থেকেই৷ একের পর এক বাজে পারফরম্যান্স করবার পরও নাজমুল হোসেন শান্তকে দলে নেবার মত তেমন কোন উপযুক্ত কারনও দেখাতে পারেননি নির্বাচক থেকে শুরু করে টেকনিক্যাল কনসালটেন্ট শ্রীরাম শ্রীধর। 

মূল একাদশে জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা কম শান্তর, এই কথা যে সত্যি সেটা জানিয়েছেন খোদ প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। তিনি বলেছেন, মূলত ব্যাকআপ ওপেনার হিসেবেই নেওয়া হচ্ছে শান্তকে। এমনকি নাজমুল হোসেন শান্তকে নেবার ব্যাপারে টিম ম্যানেজমেন্টের কেউ 'দ্বিমত করেননি' বলেই জানান তিনি। 

বিপিএলে পারফরম্যান্স বিবেচনা করেই নাজমুল হোসেন শান্তকে দলে নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন নির্বাচক। গত বিপিএলে ১১ ম্যাচে ২০.৮৮ গড় এবং ৯১.৭০ স্ট্রাইকরেটে খেলেছেন তিনি। স্ট্যান্ড বাইতে থাকা সৌম্য সরকারও অফ ফর্মে ছিলেন, তবুও ২৩ এর বেশি গড় আর ১০০ এর উপর স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করেছেন বিপিএলে। 

তবুও শান্ত ঠিক কোন শক্তিতে জাতীয় দলে! ক্যাম্পের নেটে বরাবরই তাক লাগানো ব্যাটিংয়ে বিদেশী কোচদের বিমহিত করে রাখেন নাজমুল শান্ত কিন্তু সেরকম প্রতিফলন এখন পর্যন্ত সাদা বলের ক্রিকেটে দেখাতে পারেননি শান্ত। এছাড়াও আরেকটি বিশেষ কারনে নাকি রাখা হয়েছে শান্তকে। 

সেই কারনটিও যুক্তিযুক্ত হতে পারে, একাদশে জায়গা না হলেও প্রয়োজনে বদলি ফিল্ডার হিসেবে একাদশের বাইরের ফিল্ডার নামেন এবং সেই ফিল্ডার ম্যাচে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এমন ঘটনা আর্ন্তজাতিক ক্রিকেটে বহুবার ঘটেছে। নাজমুল শান্তকে সেই চিন্তা করেও এগিয়ে রাখা হয়েছে দলে। 

শান্তকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনেও কথা বলেছেন শ্রীধরন শ্রীরাম। তিনি বলেন, ‘সে খুব ভালো খেলোয়াড়। আমি যতটুকু দেখেছি বা কথা বলেছি, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার মতো টেম্পারামেন্ট আছে তার। বাউন্সি উইকেটে খেলার সামর্থ্য আছে। আমরা যে “ইমপ্যাক্ট” খুঁজছি, সেটির অস্ত্র আছে তার কাছে।’ 

 ‘অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে মাঝেমধ্যে নতুন বলে প্রথম দুই ওভার খেলে দেওয়াটাও ইমপ্যাক্ট। যদি (ওই সময়ে) আমরা ১৫ রানে উইকেট না হারাই, তাহলে আপনি পাওয়ারপ্লেতে ভালো শুরু পেলেন। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে “আর্লি সামার’-এ কন্ডিশন চ্যালেঞ্জিং হতে পারে।’