ফুটবল > আন্তর্জাতিক ফুটবল

আমি বাংলাদেশকে চিনি, বাংলাদেশকে ভালোবাসি: রোনালদো

বাংলাদেশকে ভালোবাসেন পর্তুগিজ মহাতারকা।

ডেস্ক রিপোর্ট

২০ সেপ্টেম্বর ২০২২, রাত ৮:২৬ সময়

[ Picsart_22-09-20_20-16-06-878.jpg ]

মাঠের সবুজ গালিচায় রোনালদো নামটা প্রতিপক্ষ শিবিরে ফেলে ভয়ের ছাপ। প্রায় প্রতি ম্যাচেই পর্তুগিজ মহাতারকা মেতে ওঠেন যেন ধ্বংসের খেলায়। কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে সেই রোনালদোই ‍চরম যত্নশীল এক স্বামী ও বাবা। তাই, ক্লাবে ব্যস্ত সূচির ফাঁকে ছুটি পেলে পরিবার নিয়েই সময় কাটান তিনি।

চলতি সপ্তাহে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের খেলা ছিলো ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে। রানী দ্বিতীয় এলিজাবে থের শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানকে সামনে রেখেই প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচটিও স্থগিত হয়ে যায়।

ক্লাব ব্যস্ততা শেষে এখন চলছে আন্তর্জাতিক বিরতি। কয়দিন পরই দেশের হয়ে খেলতে নামবে ফুটবলাররা।জাতীয় দলের জার্সিতে খেলার আগে এখন পরিবারের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটছে তারা।

গত শনিবার নিজ দেশ পর্তুগালের রাজধানী লিসবনের একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে নৈশভোজে আসেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তারকা রোনালদো। তার সঙ্গে ছিল সহধর্মিণী জর্জিনা রদ্রিগেজ। নৈশভোজের ফাঁকে পাচবারের বর্ষসেরা এই ফুটবলার  সকলে সঙ্গে কুশল বিনিময় ও ফটোসেশনে অংশগ্রহণ করেন।

সেখানেই সর্বকালের অন্যতন সেরা এই ফুটবলারের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান বাংলাদেশ এক শেফ। পর্তুগিজ মহাতারকা বাংলাদেশি শেফের হাতে পিৎজা খেয়ে ফটোসেশনের সময় কথোপকথনের এক পর্যায়ে বলেন, আমি বাংলাদেশকে চিনি। আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি।

অভিজাত রেস্টুরেন্টটির সেফ ইসমাইল হোসাইন রায়হান নিজেই কথাটি বলেন। সেদিনের স্মৃতি বর্ণনা করে তিনি বলেন,

“রোনালদোর আগমনে আমরা ব্যাপক নার্ভাস ছিলাম। কেননা তার সিকিউরিটি ও মুখে স্বাদ লাগানো ছিল আমাদের মুখ্য বিষয়। ঠিক রাত ৮টায় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো আমাদের রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করেন। প্রথমেই তিনি পিৎজা খাবেন বলে সম্মতি প্রদান করলেও পরে আমি পিৎজা বানিয়ে তাকে খাওয়েছি।”

“রোনালদো নিজ কন্ঠে আমাদের গান শুনালেন। প্রায় ৫ ঘণ্টা মনে হলো জীবনের একটা অসাধারণ মুহূর্ত কাটালাম। খুব আনন্দের সঙ্গে খাওয়া শেষে ছবি তোলার সময় রোনালদোকে বললাম, “আমি বাংলাদেশি, আমাদের দেশে আপনার অসংখ্য ভক্ত আছে।”

এ সময় তিনি বলেন, “আমি জানি। আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি। তোমরা খুবই পরিশ্রমী। শুভকামনা রইলো।”