ফুটবল > বাংলাদেশ ফুটবল

‘বাংলাদেশ ফুটবলের আলোকবর্তিকা হতে পারেন হামজা চৌধুরী’

সাবেক লেস্টার সিটি তারকার বাংলাদেশের হয়ে খেলার ইচ্ছে ভালোভাবেই নিচ্ছেন ওয়াটফোর্ড কোচ।

ডেস্ক রিপোর্ট

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, রাত ৯:৫ সময়

[ Screenshot_20220923-210400_Gallery.jpg ]

ইংলিশ ক্লাব লেস্টার সিটির হয়ে খেলেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন হামজা দেওয়ান চৌধুরী। এখন তিনি খেলছেন ওয়াটফোর্ডের হয়ে। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা একমাত্র ব্রিটিশ-বাংলাদেশি ফুটবলার তিনি। 

কদিন আগেই হামজা চৌধুরী বাংলাদেশের হয়ে খেলার ইচ্ছা কথা প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন। আনোয়ার উদ্দিন এমবিই-এর সঙ্গে দীর্ঘ একটি সাক্ষাত্কারে ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-২১ দলের হয়ে খেলা এই মিডফিল্ডার বলেছিলেন, লাল-সবুজের প্রতিনিধিত্ব করতে পারলে গর্বিত হবেন। 

২৪ বছর বয়সী এই তারকা বলেছিলেন, বাংলাদেশের সমর্থকদের প্রচন্ড ভালোবাসা তার চোখ খুলে দিয়েছে। নিয়মিতই তিনি বাংলাদেশের জার্সি গায়ে খেলতে চান।

এবার, হামজা চৌধুরীর বাংলাদেশের হয়ে খেলতে চাওয়ার ইচ্ছেকে ভালোভাবেই নিলেন ওয়াটফোর্ড কোচ রড এডওয়ার্ডস।

হামজা চৌধুরীর বর্তমান ক্লাবের এ কোচ মনে করেন, বাংলাদেশের ফুটবলের আলোকবর্তিকা হতে পারেন তিনি; ভবিষ্যৎ প্রজন্মে জন্য যা অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।  ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম 'স্কাই স্পোর্টস' -কে এমনটাই বলেছেন ওয়াটফোর্ড কোচ।

“সে (হামজা) যদি এটাই (বাংলাদেশের হয়ে খেলা) বেছে নিয়ে থাকে, তাহলে আমি বলবো এটা পজিটিভ ব্যাপার হবে। আমি মনে করি সে বাংলাদেশে তরুণদের জন্য আলোকবর্তিকা হয়ে আসতে পারে। তারা ওকে দেখে সাহস পাবে এবং ভাববে ওদের দিয়েও সম্ভব।”

লেস্টার সিটির হয়ে সময়টা মোটেও ভালো কাটেনি হামজা চৌধুরীর। ফক্সদের হয়ে গেল মৌসুমে নিয়মিত একাদশেও খুব বেশি জায়গা পায়নি। তাই, বাধ্য হয়েই ধারে ওয়াটফোর্ডে যোগ দেন তিনি। ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় সারির ক্লাবটির কোচ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই ফুটব লারকে পেয়ে খুশি। এডওয়ার্ড আরও বলেছেন,

“তার সঙ্গে কাজ করা খুবই আনন্দের। সে প্রতিদিন শতভাগ দেয়। সে খুবই পজিটিভ এবং তার পারফরম্যান্স দেখলেই তা বুঝা যায়। তার প্রশংসা করে শেষ করা যাবে না। সে খুব ভালো খেলোয়াড় এবং খুব ভালো মানুষও।”

হামজা চৌধুরীর বাবা একজন বাংলাদেশি এবং মা নাইজেরিয়ান। পাঁচ ফিট ১০ ইঞ্চি উচ্চতার এই মিডফিল্ডার ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত লেস্টারের যুব দলে খেলেছেন।

২০১৫ সালে ফক্সদের মূল দলে যোগ দিয়ে ৫৩ ম্যাচে গোল করেছেন একটি। এরপর দুই মৌসুম বার্টন আলবিয়নে ধারে তিনি ২৬টি ম্যাচ খেলেছেন।