ফুটবল > ক্লাব ফুটবল

ফুটবলকে ‘বিদায়' বলে দিলেন পিকে

মৌসুমের মাঝপথেই বুট-জোড়া তুলে রাখার স্বীদ্ধান্ত নিলেন কিংবদন্তি এই ডিফেন্ডার। 

ডেস্ক রিপোর্ট

৪ নভেম্বর ২০২২, রাত ১২:৫৭ সময়

[ Screenshot_20221104-005140_Gallery.jpg ]

বয়স ৩৫ পেরিয়ে যাচ্ছে। সেই ছাপ যেন তার মাঠের পারফরম্যান্সেও দেখা মেলে। আগের সেই জেরার্ড পিকে নেই। পিকে আর চলছে না আগের মতো।

সর্বশেষ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ইন্টার মিলানে বিপক্ষে গোল হজমে কারণ হিসেবে পিকের ভুলটাই দেখছেন বার্সার কর্তারা। তাই বার্সা নাকি আর তাকে চাইছে না এখন।

পিকে এই মুহূর্তে বার্সেলোনা বছরে শুধু বেতনই পাচ্ছেন ১ কোটি ৯০ লাখ ইউরো। এত বড় অঙ্কের বেতন দিয়ে বারবার চোটে পড়া বেশি বয়সী এক ডিফেন্ডার আর পুষবে কি না, তা নিয়ে গুঞ্জন উঠেছিলো কাতালানদের শিবিরে। 

স্বদেশী ক্লাবটির সঙ্গে পিকের বর্তমান চুক্তির মেয়াদ আছে আরও দুই মৌসুম। অভিজ্ঞ এই ডিফেন্ডার সরাসরিই বলেছেন, বার্সেলোনা থেকে তিনি বেঞ্চের খেলোয়াড় হিসেবে বিদায় নিতে চান না। ধারণা করা হচ্ছিলো, স্প্যানিশ তারকা এতে সম্ভবত বার্সা থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ইঙ্গিত  করেছেন। 

অবশেষে, সেটাই হলো। মৌসুমে শুরু থেকেই চারদিক থেকে আসা নানান রকম সমালোচনার মুখে অবশেষে মৌসুমের মাঝপথেই ফুটবলকে বিদায় বলে দিলেন জেরার্ড পিকে।

আগামী শনিবার (৫ নভেম্বর) স্প্যানিশ লা লিগায় আলমেরিয়ার বিপক্ষে বার্সেলোনার হয়ে ক্যারিয়ারে সবশেষ ম্যাচটি খেলবেন, এক ভিডিও বার্তায় নিজেই জানিয়েছেন পিকে।

“আমি আগেই বলেছি, বার্সার পর আমার আর কোন দল থাকবে না। সেটাই হচ্ছে। শনিবার ক্যাম্প ন্যুতে আমার শেষ খেলা হবে।”

“ সামনে আমি আর বড় কিউল হয়ে উঠবো। আমি দলকে উৎসাহিত করব, দলের প্রতি আমার সন্তানদের ভালোবাসা সঞ্চার করব যেমনটা আমার পরিবারও আমার সঙ্গে করেছিলো। আমি এখানে ফিরে আসব। খুব শীঘ্রই ফিরে আসব। ন্যু ক্যাম্পে আবার দেখা হবে। বার্সেলোনা চিরঞ্জীবী হোক।”

২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপের পরই জাতীয় দলের হয়ে অবসর নেন জেরার্ড পিকে। এবার ক্লাব ফুটবলেও ইতি টানলেন তিনি। ২০০৪ সালে ইংলিশ ক্লাব ম্যান ইউনাইটেডের হয়ে পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু হয় তার।

বর্নাট্য ক্লাব ক্যারিয়ারে ধারে খেলেছেন স্প্যানিশ ক্লান রিয়াল জারাগোজার হয়ে। এরপর ২০০৮ সালে বার্সায় পাড়ি দিলে ধীরেধীরে কাতালানদের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হন। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে ৪ বছরের ক্যারিয়ারে একটি করে প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জিতেছেন পিকে। 

আর বার্সার হয়ে সাফল্য পেয়েছেন দু'হাত ভরেই। এক যুগের ক্যারিয়ারে কাতালানদের হয়ে ৮টি লা লিগা ও ৩টি চ্যাম্পিয়নস লিগসহ সবমিলিয়ে ৩০টি শিরোপা জিতেছেন।