ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ

চোটে পড়া মানেকে নিয়েই বিশ্বকাপে যাচ্ছে সেনেগাল

বিশ্বকাপে যাচ্ছেন মানে।

ডেস্ক রিপোর্ট

১১ নভেম্বর ২০২২, বিকাল ৫:৫ সময়

[ Screenshot_20221111-170011_Gallery.jpg ]

‘ছোট দলে বড় তারকা’ বলা হয় তাকে। সাদিও মানেকে ঘিরেই স্বপ্ন বুনেছিলো সেনেগাল। মানে নিজেও একবার ফিফাকে দেওয়া আলাপচারিতায় স্বদেশকে বিশ্বমঞ্চে সর্বোচ্চ সাফল্যে দিতে চায় বলেছিলন। ২০০২ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিলো আফ্রিকার দেশটি।

আফ্রিকা চ্যাম্পিয়নদের সব স্বপ্নে জল ঢেলে দিয়েছিলো বায়ার্ন মিউনিখ। জার্মান ক্লাবটির হয়ে খেলতে গিয়েই চোটে পড়েন তিনি। জার্মান বুন্দেস লিগার ভার্ডার ব্রেমেনের বিপক্ষে বায়ার্নের বিশাল ব্যবধানে জয়ের ম্যাচের পঞ্চদশ মিনিটে হাঁটুতে ব্যথা পান মানে।

বেশ কিছুক্ষণ ধরে সাইডলাইনে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত তিনি নিজ পায়ে উঠে দাঁড়ালেও খেলা চালিয়ে যেতে পারেননি। চোট নিয়েই মাঠ ছাড়েন তিনি।

মানের চোট এতটাই ভয়াবহ ছিলো যে ইউরোপিয়ান গণমাধ্যমগুলি সেনেগালের সবচেয়ে বড় তারকার বিশ্বকাপটাও শেষ হয়ে গেছে বলেও খবর করে।

সাদিও মানে চোট থেকে এখনও সেরে উঠতে পেরেছে কিনা তা জানা যায়নি। তবে, দলের সেরা তারকাকে ছাড়া বিশ্বকাপে যাচ্ছে না দলটি।

বায়ার্ন মিউনিখ তারকাকে নিয়েই কাতার বিশ্বকাপের ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে সেনেগাল কোচ আলিও সিসে। আজ (শুক্রবার) কাতারে যাচ্ছেন কারা, তাদের নাম ঘোষণা করেন তিনি। 

চোটে পরার পর সাদিও মানের যে অস্ত্রোপচার করার কথা ছিলো সেনেগাল ফুটবল দলের ডাক্তাররা তা নাকচ করে দিয়েছেন। তারা বলেছেন, সাদি মানের অস্ত্রোপচাচারের প্রয়োজন নাই। যা মানের বিশ্বকাপ খেলার পালে হাওয়া দিয়েছে। তাই, ৩০ বছর বয়সী এই তারকাকে নিয়ে বিশ্বকাপে যাচ্ছে সেনেগাল। কোচ আলিও সিসে বলেছেন,

“আমরা তাকে (সাদিও মানে) ফিট করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। এটা খুব ভালো খবর যে, তার অস্ত্রোপচার করা লাগছে না। আমরা দুই সপ্তাহ পর্যবেক্ষণ করব এবং দেখব চিকিৎসা করার পর চোটে কতটুকু সেরে উঠে।” 

“মানে আমাদের দলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাঁকে ছাড়া আমরা বিশ্বকাপে যেতে পারিনা। মানেকে খেলার জন্য ফিট করে তুলতে আমাদের সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ কর ব।”

আগামী ২০ নভেম্বর শুরু হকে কাতার বিশ্বকাপ। পরদিন নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলবে সেনেগাল। ‘এ’ গ্রুপের তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ কাতার ও একুয়েডর। 

সেনেগাল বিশ্বকাপ দল

 

গোলকিপার:

এদুয়ার্দ মেন্দি, আলফ্রেদ গোমিজ, সেনি দিয়াং।


ডিফেন্ডার:

কালিদু কুলিবালি, পাপে আবু সিসে, আবদু দিয়ালো, ফোদে বালো তোরে, ইউসুফ সাবালি, ইসমাইল জ্যাকবস, ফরমোস মেন্দি।

 

মিডফিল্ডার: পাপে মাতার সার, পাপে গেয়ে, নামপালিস মেন্দি, ইদ্রিসা গানা গেয়ে, মুস্তাফা নামে, লুম এনদিয়ায়ে, চেইখু কোয়াতে, ক্রেপিন দিয়াত্তা, পাথে সিস।


ফরোয়ার্ড:

সাদিও মানে, ইসমাইলা সার, বাম্বা দিয়েং, বুলায়ে দিয়া, ফামারা দিয়েদহিউ, ইলমান এনদিয়ায়ে ও নিকোলাস জ্যাকসন।