ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ

ফেভারিট তকমার ‘ফাঁদে’ পা না দিয়ে বিশ্বকাপে লড়াই করবে উরুগুয়ে

বিশ্বকাপ জেতাই উরুগুয়ের লক্ষ্য, জানালেন নুনেস।

ডেস্ক রিপোর্ট

১৭ নভেম্বর ২০২২, দুপুর ৩:৫৭ সময়

[ Screenshot_20221117-155427_Gallery.jpg ]

গত শতাব্দীতে ফুটবল বিশ্বকাপের অন্যতম সফল দল ছিলো উরুগুয়ে৷ লাতিন আমেরিকার দেশগুলির মধ্যে তারাই সবার আগে দুবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার খেতাব অর্জন করে। 

১৯৩০ সালের বিশ্বকাপের ইতিহাসের প্রথম আসরে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বসেরা হয় তারা। ৫০’ সালে ফের মারাকানায় ব্রাজিলকে দুঃখের সাগরে ভাসিয়ে বিশ্বসেরা মুকুট পড়ে দলটি। এছাড়া, বিশ্বকাপে আর কখনওই ফাইনালে খেলা হয়নি লাতিন আমেরিকা অন্যতম সফল দলটির। 

একুশ শতকে শুরুতেই ব্যর্থতা চোরাবৃত্ততে আটকে থাকলেও গেল দশকে লুইসা সুয়ারেজ-কাভানিদের আগমণে ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছিল উরুগুয়ে।

কিন্তু, নিজেদের ইতিহাসের অন্যতম সেরা দুজন খেলোয়াড় নিয়েও বিশ্বকাপে বড় কোন সাফল্যে পায়নি লা সেলেস্তারা। 

অভিজ্ঞতা আর তারুণ্যের মিশেলে উরুগুয়ের এবারের দলটি ‘ডার্কহর্স' উপাধি পেয়ে গেছে। এই দলে যেমন সুয়ারেজ-কাভানিদের মতো ঝানু খেলোয়াড়রা আছে; ঠিক তেমনি ডারউইন নুনেস, ফেডে ভালভার্দের মতো তরুণরাও আছে। 

বিশ্বমঞ্চে খেলা প্রতিটি দলেরই লক্ষ্য থাকে বিশ্বকাপ জেতা। দারুণ ভারসাম্যপূর্ণ উরুগুয়েও এবার সেই স্বপ্ন দেখছে। আসরে ফেভারিটের তকমা না লাগিয়ে নিজে দের সেরা খেলাটাই খেলতে চায় লাতিন আমেরিকার দেশটি। 

আবুধাবিতে বিশ্বকাপের অনুশীলনের ফাঁকে সাংবাদি কদের এমনটাই জানিয়েছেন দলটির তরুণ স্ট্রাইকার ডারউইন নুনেস। ২৩ বছর বয়সী তারকার মতে বিশ্ব কাপে কোন দলই ছোট নয়। 

“আমরা এটি জেনেই এখানে এসেছি যে, আমরা ফেভারিট নই। তবে আমরা লড়াই করব। চার বছর আগে আমি টিভিতে বসে এই টুর্নামেন্ট দেখেছি। এখন সব তারকাদের সঙ্গে এখানে। এটি তো সবে শুরু।”

“প্রথম লক্ষ্য অবশ্যই প্রথম ম্যাচ। দক্ষিণ কোরিয়া শক্তিশালী দল। তারা নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়েই বিশ্বকাপে এসেছে। সব দলই শক্তিশালী। আমরাও তাই। আমরা যত দূর সম্ভব যেতে চাই। আমাদের লক্ষ্য বিশ্বকাপ জেতা।”

কাতার বিশ্বকাপে ‘এইচ’ গ্রুপে রয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশটি। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে আছে পর্তুগাল, দক্ষিণ কোরিয়া ও ঘানা।  আগামী ২৪ নভেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে তাদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু হবে।