ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ

ব্রাজিলের তরুণ প্রজন্ম নেইমারের উপর চাপ কমাতে চায়, বললেন ভিনিসিয়াস

এবার ব্রাজিলের বিশ্বকাপ জেতার ভালো সম্ভাবনাও দেখছেন লস ব্লাংকোস তারকা।

ডেস্ক রিপোর্ট

১৯ নভেম্বর ২০২২, দুপুর ১১:২৮ সময়

[ Screenshot_20221119-112434_Gallery.jpg ]

২০১০ সালে ব্রাজিল দলে অভিষেক। এরপর নিজেকে ধীরেধীরে সেলেসাওদের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে পরিণত করেছেন নেইমার। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সফল দলটির একমাত্র কান্ডারী হয়ে আছেন তিনিই।

ব্রাজিল মানেই এখন নেইমার। সবশেষ দুটো বিশ্বকাপে এমনটাই হয়েছে। ২০১৪ সালে বিশ্বকাপে ঘরের মাঠে নেইমারকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছিলো পেলের দেশের বিশেকাপ খেলার কৌশল। ২০১৮ বিশ্বকাপেও সেটাই। নেইমারই হচ্ছে সেলেসাও দলের সবচেয়ে বড় তারকা।

তবে, সেই সময় বোধহয় শেষ হয়ে এসেছে। ব্রাজিল দল এখন আর নেইমার নির্ভর নয়। সেলেসাওসের দলে এখন এসে গেছে একঝাঁক তরুণ ফুটবলার। তাদের মধ্যে আছে তারুণ্যেই তারকা বনে যাওয়া অনেক ফুটবলারও।। যারা একাই নিমিষে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারে।

ব্রাজিলের তরুণ ফুটবলারদের মধ্যে এখন সবচেয়ে বড় তারকা ভিনিসিয়াস। গত মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে স্বপ্নের মতো সময় কাটিয়েছেন। লস ব্লাংকোসদের জিতিয়েছেন চ্যাম্পিয়নস লিগ ও লা লিগার শিরোপা। 

ভিনিসিয়াসের মতে, এবার বিশ্বকাপে ব্রাজিলের তরুণ ফুটবলাররা নেইমারের উপর চাপ কমাতে বদ্ধপরিকর। লস ব্লাংকোস তারকার মতে, কাতারে নেইমার যদি তাদের সাহায্যে করে আর তারাও যদি দলের সেরা তারকাকে সাহায্যে করে তাহলে সেলেসাওদের বিশ্বকাপে ভালো করার ভালো সম্ভাবনা আছে। রয়টার্সকে তিনি বলেছেন,

“তরুণ খেলোয়াড় হিসেবে নেইমারকে খুব অল্প বয়সে এবং অনেক চাপের মধ্যে খেলতে হয়েছে। তিনিই নতুন প্রজন্মের জন্য সবকিছু সহজ করে দিয়েছেন।”

“আমরা তাকে আদর্শ মেনে বড় হয়েছি। একজন নেতা হিসেবে তিনি যা করেন, তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানেন, যদি তিনি আমাদের সাহায্য করতে পারেন এবং আমরাও তাকে অনেক সাহায্য করতে পারি, তাহলে দারুণ একটি বিশ্বকাপ হতে পারে। আর এটা আমাদের জন্য ভালো, ব্রাজিলের জনগণের জন্য ভালো, যারা চায় আমরা বিশ্বকাপ জিতি।”

১৪ নভেম্বর থেকে ইতালির তুরিনে বিশ্বকাপের অনুশীলন করে ব্রাজিল। সেখানে ৫ দিনের ক্যাম্প শেষে আজ (শনিবার) কাতারের দোহায় যাবে নেইমাররা।

আগামী ২৪ নভেম্বর সার্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু হবে সেলেসাওদের। ‘জি' গ্রুপে তিতের দলে বাকি প্রতিপক্ষ হচ্ছে সুইজারল্যান্ড ও ক্যামেরুন।